নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমানে কিছু কিছু দল সংস্কার সংস্কার করতে করতে না খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। তারা এজন্য নির্বাচন পেছানোর জন্য ষড়যন্ত্র করছে। সংস্কারের কথা বললেও তারা প্রার্থী ঘোষণাসহ প্রচারণা শুরু করেছেন। মুখে এক অন্তরে তাদের আরেক কথা। তিনি বলেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সংস্কার কাজ শুরু করেছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুক্রবার বিকেলে কাটাখালী পৌর ৮ও ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে নগরীর মিজনের মোড়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পরে বাকশাল রোধ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারনে আওয়ামীলীগ আবার রাজনীতি করার সুযোগ পায়। সেইসাথে শেখ মুজিবুর রহমানের বাতিলকৃত অন্যান্য দলও রাজনীতি করার সুযোগ পায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সংস্কার করার লক্ষে প্রথমে ২৩দফা পরে ২৭ ঘোষনা করেন। শেষে তিনি তা ৩১ দফায় উন্নিত করেন। সে থেকে এটা স্পস্ট যে, সংস্কার কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া।
১৯৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন এবং ৩৬ জুলাই সেই দিনের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও যারা অসুস্থ হয়ে আছেন তাদের সুস্থ্যতা কামনা করেন। সেইসাথে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘনঘটা ও ক্লাইমেট ছিল। কিন্তু সেটা শুক্রবার বাংলাদেশি সময় ৪টার মধ্যে পরিষ্কার হয়েছে। তার কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্তবতীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনুস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে ওয়ান টু ওয়ান আলোচনা। সেখানে দেশেল বর্তমান অবস্থা ও নির্বাচন নিয়ে অনেকটাই ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে।
তিনি জামায়াতকে উদ্দেশ্য বলেন, বেশী লাফালাফি না করে নির্বাচনের সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করুন। জনগণ যাকে ভোট দেবে, সেই দল সংসদে যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নির্বাচিত না হলেও তিনি যেভাবে সবার পাশে আছেন, নির্বাচিত হলেও সেভাবেই পাশে থাকার অঙ্গকার ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।
কাটাখালী পৌর ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি কুরবান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনসার আলী, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক , সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট, মতিহার থানা বিএনপি’র সাবক সাংগঠনিক সম্পাদক খাজদার আলী, ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শুকুর আলী, সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট আব্দুল আলিম রাসেল।

আরো উপস্থিত ছিলেন কাটাখালী পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী, সাবেক সভাপতি আইনুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সাইফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র , রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ মামুনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।