নিজস্ব প্রতিবেদক: শিরোইল ঢাকা বাস টার্মিনাল এলাকায় রাস্তার উপর ভ্যান রাখা নিয়ে ডেলিভারি ভ্যান চালক ও এক অটোচালকের মধ্যে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। সোমবার দুপুর পৌনে ১টা থেকে ঘন্টাব্যাপি চলে এই সংঘর্ষ। পরবর্তীতে পুলিশ ও সিআরটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডেলিভারি ভ্যান চালক সজল (৩৩), যিনি ২৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী এবং পঞ্চবটি এলাকার বাসিন্দা। তিনি তার ভ্যান রাস্তার পাশে রেখে একটি দোকানে মাল দিচ্ছিলেন। এ সময় এক অটোচালক (নাম অজ্ঞাত) তার সঙ্গে রাস্তা আটকে রাখার বিষয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সজল ঐ অটোচালককে থাপ্পড় মারেন। বিষয়টি দেখে পাশেই অবস্থানরত আম ব্যবসায়ী শিরোইল বাস্তুহারা এলাকার বাসিন্দা জালাল এর ছেলে রনি (৩২) প্রতিবাদ করলে সজল ও রনির মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
বিষয়টি মুহূর্তেই উত্তপ্ত রূপ নেয়। দুই পক্ষই পরে তাদের নিজ নিজ লোকজন নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সজল এবং তার সাথে থাকা রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সৈকত এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৪৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ রাস্তায় জড়ো হন। অপরদিকে, রনি নেতৃত্বে আনুমানিক ২৫-৩০ জন ব্যক্তি পাল্টা অবস্থান নেন। এরপর শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং টার্মিনাল এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্সসহ এবং সিটি পেট্রোলিং সিআরটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ বিষয়ে আরএমপি বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোস্তাক আহমেদ বলেন, একটি তুচ্ছ বিষয় থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। তাৎক্ষণিক পুলিশ ও সিআরটি সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনায় টার্মিনাল এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।