নিজস্ব প্রতিবেদক:ভগবন্তপুর পেটাও আলাতুলী, বড়গাছী পেটাও বিদিরপুর ও ফুলতোলা ভাটোপাড়া ফেরীঘাট ইজারা বন্ধের দাবীতে গত ২২এপ্রিল ২০২৫৬ ইং তারিখ বিদিরপুর ফেরীঘাট যান্ত্রিক নৌচালক সমবায় সমিতি লিঃ, গোদাগাড়ী, রাজশাহী কর্তৃক রাজশাহী জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড়গাছী পেটাও বিদিরপুর ও ফুলতোলা ভাটোপাড়া ফেরীঘাটের টোল হার বৃদ্ধির জন্য আবেদন প্রেরণ করা করে।
অপরদিকে ২৭ এপ্রিল ২০২৫ইং তারিখ আষাড়িয়াদহ ছাত্র-কর্মজীবী জোট, গোদাগাড়ী, রাজশাহী কর্তৃক ভগবন্তপুর পেটাও আলাতুলী আন্তঃজেলা, বড়গাছী পেটাও বিদিরপুর ও ফুলতলা ভাটোপাড়া ফেরীঘাট বাতিলের জন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বর্ণিত বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তের জন্য বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাজশাহীকে আহবায়ক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন প্রতিনিধি (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পর্যায়ের) সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (সদস্য) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গোদাগাড়ী, রাজশাহীকে সদস্য সচিব করে একটি তদন্দ কমিটি গঠন করা হয়।
সেইসাথে এই কমিটিকে স্থানীয় সরকার রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রিয়াংকা দাস উল্লিখিত কমিটির মাধ্যমে বর্ণিত ফেরীঘাটসমূহ সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আগামী ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন। সেইসাথে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত ফেরীঘাটসমূহের খাস আদায় কার্যক্রম চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যথানিয়মে চলমান থাকবে বলে নির্দেশনা দেন। কিন্তু অদ্যবধি সেই তদন্ত শেষ হয়নি এবং তদন্ত প্রতিবেদনও জমা দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। এতে করে অত্র ফেরিঘাটগুলো এখন পর্যন্ত ইজারা দিতে পারেনি সরকার। এতে করে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে পূর্বের ইজারাদাররা অভিযোগ করেন।
এ নিয়ে স্থানীয় সরকার রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রিয়াংকা দাস এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন এর কাজ এখনো শেষ হয়নি। কাজ চলছে দ্রুত এর সমাধান হবে।