নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ভবিষ্যতে আর কেউ কোন প্রকার কটাক্য করলে তাঁর দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে বলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১দফা কর্মসূচীর লিফলেট বিতরণ ও প্রচার মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের সংস্কার করারজন্য সে সময়ে ১৯দফা দিয়েছিলেন। সেই১৯দফা এখন বাংলাদেশের নয়, পুরো বিশ্বেও রাষ্ট্র পরিচালকরা ব্যবহার করছে। কারন ঐ দফাগুলোতে রাষ্ট্রের উন্নয়নের কথা লেখা হয়েছিলো। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুও পর তাঁরাই সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন আন্দোলন করে স্বৈরাচার সরকারকে বিতারিত করেন। সে সময়ে তিনি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বাতিল করে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তাইনয় মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠাসহ নানাবিধ সংস্কার করেন।
মিলন আরো বলেন, এর ই ধারাবাহিকতায় আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কারের জন্য ৩১দফা দিয়েছেন। এই ৩১ দফার মধ্যে দেশের সকল সেক্টারের সংস্কার ও উন্নয়নের কথা লেখা আছে। এটা বাস্তবায়ন করতে পারলে আর কোন প্রকার সংস্কার প্রয়াজন নাই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, আগামীতে জনগণের রায়ে যদি বিএনপি বিজয়ী হয়,তাহলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। এটা সবাই জানে। এরপরেও তিনি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য করার কথা বলেছেন। এ থেকেও বোঝা যায় তারেক রহমান এ দেশের জন্য কতটা অপরিহার্য।

তিনি বলেন দেশ আবারও ষড়যন্ত্রের ঘনঘটা দেখা দিয়েছে। তার উদাহরণ হচ্ছে টুঙ্গিপাড়ার ঘটনা। নতুন দলকে ভুলপথে নিয়ে জামায়াতে ইসলাম এগুলো করাচ্ছে। তাদেরকে উসকিয়ে দিয়ে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। এখনো সময় আছে এনসিপিকে ফিরে এসে নিজস্বভাবে রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন ১৯৯৬ সালে বিএনপি’র বিরুদ্ধে আজাজা বাহিনী গঠন করেছিলো। আওয়ামীলীগ, জামায়াতে ইসলাম ও জাতীয় পার্টি একসাথে আন্দোলন করেছিলো। কিন্তু এই জামায়াত সে সময়ে বিএনপি’র উপরে ভর করে সংসদে গিয়েছিলো। সেই বেইমান আবারও চেষ্টা করছে দেশকে অস্থিতিশীল করার।
তিনি বলেন, এনসিপির এই আক্রমনের তীব্র নিন্দা সর্ব প্রথমে বিএনপি বিবৃতি দিয়িছে। সেইসথে ছাত্রদল প্রথমে এগিয়ে গেছে। সেইসাথে দেশর বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগেরর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এ থেকে এনসিপিকে বুঝতে হবে তাদের ভালটা কে চায়। সেইসাথে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে তিনি প্রচারণা মিছিল ও লিফলেট বিতরণ করেন।

ছাত্রদল নওহাটা পৌর সভার আয়োজনে পৌর সভাপতি সোহেল হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম পিটার, নওহাটা পৌর বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর সরকার জেড, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা নজির উদ্দিন, নওহাটা পৌর বিএনপি’র সদস্য এমমাদ, বকুল, জয়নাল, কাজী আজিজুল, মোর্তুজা, আফজাল ও মফিজ উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন, সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম ডনি, নওহাটা পৌ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লা, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, মমিনুর ইসলাম মিলন।
আরো উপস্থিত ছিলেন পবা নওহাটা পৌর তরুন দলের আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া ও সদস্য সচিব আব্দুল্লাহসহ অত্র পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণসগ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।