নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজ জমি রক্ষা করতে রাজশাহী পুলিশ সুপার ও সেনাবাহিনীর নিকট অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগি জমির মালিক মোয়াজ্জেম হোসেন ফাইটার। ফাইটার গোদাগাড়ী উপজেলার গোলাই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বলেন, ২০২১ সালে তিনি আরশাদ আলীর নিকট থেকে মোট ০.৪৬০০শতক জমি ক্রয় করেন। যার জে.এল.নং-৩৪৯, মৌজা-গুলাই, সিএস খতিয়ান নং-২৮৯, আর.এস খতিয়ান নং-২৬৭, প্রস্তাবিত খতিয়ান নং- ১৪৯৪, হোল্ডিং নং- ১৫৮২, দাগ নং- ১৩৯৫।
তিনি আরো উল্লেখ করেন তার নিজস্ব সম্পত্তিতে আব্দুল আলীম (কচি) নামের এক ব্যক্তি বায়নাসূত্রে জমির মালিকানা সম্বলিত সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। কচি কাশিয়াডাঙ্গা থানার বশরী এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে। কচি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার বৈধ সম্পত্তিতে এই সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে জমি দখল করার অপচেষ্টা করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।
তিনি প্রতিবেদককে বলেন, জমি ক্রয় করার পরে নিজ নামে নাম জারি করে নিয়মিত খাজনা প্রদান করে আসছেন। অগ্রিম দুই বছরের খাজনাও দেয়া আছে। কিন্তু আওয়ামীলীগের সময়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা রজব আলী ও মহানগর যুবলীগ নেতা নাহান এর ভাতিজা সুরুজ জোরপূর্বক তার জমি দখল করে ভোগ দখল করলেও তিনি সে সময়ে কোন কিছুই করে উঠতে পারেনি। কারন সে সময়ে তানোর-গোদাগাড়ী আসনের সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী তাদের সহযোগিতা করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গত বছরের ৫ আগস্টের পরে সুরুজরা পালিয়ে গেলে তিনি তার জমি দখলে নিয়ে নিজ নামে জমিতে সাইনবোর্ড টাঙ্গান এবং গেটে তালা মেরে দেন। কিন্তু হঠাৎ করে বোরবার জমির গেটের তালা ভেঙ্গে তার অগোচরে তার দেয়া সাইনবোর্ড খুলে ফেলে সুরুজের আরেক সহযোগি আব্দুল আলীম (কচি) বায়নাসূত্রে ক্রয় মুলে সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঐ সাইন বোর্ড খুলে ফেলেছেন বলে জানান মোয়াজ্জেম। ভূমি দস্যুদের ভয়ে তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। সেইসাথে তার জমি রক্ষায় আইন শৃংখলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে আব্দুল আলীম (কচি) এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি সুরজের নিকট হতে জমি ক্রয় করার জন্য বায়না করেছেন। বায়না মুলে তিনি জমিতে সাইনবোর্ড দিয়েছেন। তার নিকট কাগজপত্র আছে। তবে মোয়াজ্জেম যদি কাগজ দেখাতে পারে তাহলে লোকজন নিয়ে বসে এটা ফায়সালা করা যেতে পারে বল জানান তিনি।