নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপার্সন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বর্তমানে নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন। কি হবে এক আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী মহানগর বিসিক এলাকায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পবা-মোহনপুরের ধানের শীষের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলনের নিজ কার্যালয় প্রাঙ্গনে বেগম জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহীর পবা-মোহনপুরবাসীর পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পবা-মোহনপুরের ধানের শীষের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি বেগম জিয়া সম্পর্কে বলতে যেয়ে আঊেস আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, বেগম জিয়া আছে বলেই বিএনপি এত শক্তিশালী। তাঁরমত নেত্রী ও মমতাময়ী নারী কোন দলেই নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালবেসে নিজ সন্তানকেও বিসর্জন দিতে প্রস্তুত ছিলেন। এক ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে তিনি বিসর্জন দিয়ে দিয়েছেন। ওয়ান-ইলেভেন এর সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে গুরতর অসুস্থ করে। এরপর তাঁরা উভয়ে দেশর বাহিরে চিকিৎসা নিতে চলে যান। সেখানেই চিকিৎসারত অবস্থায় আরাফাত রমহান কোকো ইন্তেকাল করেন।
মিলন বলেন, বেগম জিয়া জনগণের জন্য সব থেকে বেশী ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি জেল খেটেছেন। অসুস্থ হয়ে বার বার মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছেন কিন্তু অন্যায়ের নিকট মাথানত করেন নি। তাঁকে কারাগারে স্লোপয়জোনিং করা হয়েছে। তিলে তিলে তাঁকে মেরে ফেলার জন্যই পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খুনি হাসিনা নির্দেশ দিয়ে এগুলো করিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনা করেন।

মিলন আরো বলেন, আগামী মাসের প্রথম সপ্তহে তপশিল ঘোষনা করা হবে। এই তপশিল ঘোষনার আগেই সবার মতামতের ভিত্তিতে তারুণ্যের সমাবেশ করা হবে। তবে এই সমাবেশ করার জণ্য কেন্দ্র নির্দেশনা দিলে এটা করা হবে বলে জানান তিনি। এই সমাবেশে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন বলে জানান তিনি। এ সমাবেশে হাজার হাজার যবক-যুবারা উপস্থিত হবে বলে আশাব্যাক্ত করেন তিনি। সেইসাথে পবা-মোহনপুর এলাকার বিএনপিসহ সকল কমিটির নেতাকর্মীদের সর্বাত্বক সহযোগিতা কামনা করেন। সেইসাথে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা করার জন্য বাড়ি বাড়ি যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে বেগম জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় উপস্থিত সকলে মিলে দোয়া ও মোনাজাত করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী জেলা শাখার আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ, কেশরহাট পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক তাইজুল ইসলাম, সোহেল রানা, বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক কে এইচ রানা শেখ, ফরিদুল ইসলাম সাহেব, সাদ্দাম হোসেন ও সাবেক সদস্য মাজদার রহমান, নওহাটা পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লা, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ।
এছাড়াও পবা ও মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।