সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

বেগম জিয়ার যে প্রয়োজন আছে, দেশের মানুষ তা অনুভব করছে: মিলন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণতন্ত্রের মানষকন্যা, বিএনপি চেয়ারপার্সন, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, মাদার অব ডেমোক্রেসী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছেন। তাঁকে নিয়ে চিকিৎসকগণ কোন খবর দিতে পারছেন না। তাঁর এ অবস্থায় সারা বিশ্বব্যাপি বিএনপি, অঙ ও সহযোগি সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ দোয়া করছেন। কোরআন তেয়াওয়াত করে তারা বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করছেন। গণতন্ত্র উত্তরণে বেগম জিয়াকে প্রয়োজন আছে দেশবাসী তা অনুভব করছে।

সোমবার সন্ধ্যায় পবা উপজেলা বড়গাছী ইউনিয়নের গোপালহাটে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে বেগম জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে কান্না জড়িত কন্ঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেগম জিয়ার অসুস্থার কথা শুনে শত্রুও তাঁর জন্য দোয়া করছেন। সারা দেশের মানুষ এক হয়ে গেছে। সেইসাথে বিশ্বের নানা দেশে তাঁর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করা হচ্ছে। প্রকৃত পক্ষে তিনি প্রতিটি মানুষের মনের কোঠায় স্থান পেয়েছেন। কারন তিনি দেশকে ভালবেশে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি এদেশকে ভালবেসে নিজের সন্তানকে হারিয়েছেন। তাঁর আরেক ছেলে দেশের বাহির আছেন এখনো দেশে ফিরতে পারেননি। শুধু তাইনয় তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশকে ভালবেশে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষনা দিয়েছিলেন। সেইসাথে জীবন বাজি রেখে, স্ত্রী সন্তানদের কথা চিন্তা না করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। এরপর দেশে হাল ধরে দেশের উন্নয়ন শুরু করেছিলেন। এক সময়ে তাঁকে শহীদ করেছে শত্রুরা। এরপরেও তিনি পিছুপা হননি। তিনি রান্না ঘর থেকে রেড়িয়ে এসে দলের হাল ধরেন।

মিলন আরো বলেন, তিনি স্বৈরাচার প্রেসিডন্টে মেজর জেনারেল হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে হঠানোর জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলেন। সে সময়ে তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলাম জোট বেধে আন্দোলনে ছিলেন। কিন্তু ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগ বেইমানী এবং জামায়াতে ইসলাম মোনাফেকী করে এরশাদ এর সাথে আঁতাত করে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে। কিন্তু বেগম জিয়া এরশাদের সাথে কোন আপোস করেননি। একাই তিনি আন্দোলন চালিয়ে যান। সে থেকে তিনি আপোসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এরপর তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী ও দুইবার বিরোধী দলীয় নেত্রী ছিলেন। তিনি ২৩টি আসনে নির্বাচন করে বিজয় অর্জন করেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন এর সময় তাঁকে এবং তার দুই সন্তানকে আটক করা হয়। তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান কোকোকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সেই বিভৎস চিৎকারের শব্দ ও এবং ছবি তাকে পাঠানো হয়। সেইসাথে বলা হয় দেশ ছেড়ে না গেলে তার দুই সন্তানকে হত্যা করা হবে। এতে তিনি রাজি হননি। সে সময়ে তিনি বলেছিলেন আমার শুধু দুইটি সন্তান নয়। পুরো দেশবাসী আমার সন্তান। তাদের ফেলে আমি কোথাও যাবনা। এতে যদি তাঁর দুইসন্তান ও তাঁকে জীবন দিতে হয় দেবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন জানা মিলন।

এরপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর অবস্থা খারাপ হলে তৎকালিন শাসক তাদের একটি শর্তের বিনিময়ে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সে সময়ে দুইজনেই দেশের বাহিরে চিকিৎসা নিতে গেলেও আরাফাত রহমান কোকো শহীদ হয়ে দেশে ফেরেন। তাঁকে যখন খুনি হাসিনা তার নিজ বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দিয়েছিলো তখনও তিনি বলেছিলেন তাঁর যাওয়ার কোন জায়গা নাই। বিদেশে কোন তার বাড়িও নাই। তিনি এদেশের মানুষ এই দেশেই তিনি সারাজীবন থাকবেন। তার কথার কোন নড়চর হয় নাই বলে উল্লেখ করেন মিলন। এই আপোসহীন নেত্রীর দ্রুত সুস্থতার জন্য তিনি দেশবাসী তথা বিশ্ববাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন। বক্তব্য শেষে বেগম জিয়ার আশুরোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময়ে পবা উপজেরা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin