সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

হার না মানা আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিরবিদায়

  • প্রকাশ সময় মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন আপোসহীন দেশনেত্রী , গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের মানষ কন্যা বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন, (ইন্না—- রাজিউন) তিনি এক সন্তান, নাতনি, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মীসহ কোটি কোটি গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বেগম জিয়ার নামাজে জানাজা আজ বুধবার বাদ যোহর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাযা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, উন্নয়নের রুপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

কে এই খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫সালের ১৫ আগস্ট, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের দিনাজপুরে। তিনি দিনাজপুর মিশন স্কুল ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। কলেজে পরাকালীন সময়ে ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমান এর সাথে তাঁর বিয়ে হয়। সেই থেকে তিনি বেগম খালেদা জিয়া নামে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি বিধবা হন। কিন্তু তিনি দমে যাননি। দুই সন্তানকে আঁকগে ধরে তিনি দিন পার করতে থাকেন। এক সময়ে এসে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকেও হারান তিনি। বহু দমন পিড়ন সত্ত্বেও তিনি দেশ ছেড়ে চলে যাননি।

তিনি ১৯৮১ সালো ৩০ মে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শহীদ হওয়ার পরে দলীয় নেতাদের অনুরোধে তিনি ১৯৮২ রাজনীতিতে আসেন। রাজনীতিতে আসার পূর্বে তিনি গৃহীনি ছিলেন। গৃহীনি থেকে তিনি রাজনীতিতে এসে সফল হন। সে সময়ে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে তিনি চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। বেগম জিয়া সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি রাজনীতিতে আসেন। এরপর দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে এবং দেশের মানুষকে স্বৈরাচার শাসক জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কবল থেকে রক্ষা করতে তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।

সে সময়ে তাঁর সঙ্গে আওামীলীগ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম থাকলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেইমানী এবং জামায়াতের ততকালীন আমির গোলাম আজম মোনাফেকী করে বেড়িয়ে গিয়ে এরশাদ এর জোট করে নির্বাচন করেন। কিন্তু বেগম জিয়া অন্যায়ের সাথে কোন প্রকার আপোষ না করে একাই দেশেল জনগণকে নিয়ে আন্দোলন চালানোর ঘোষনা দেন এবং ১৯৯০ সালে এসে সফর হন। স্বেরাচার এরশাদকে বিতারিত করতে তিনি সক্ষম হন। সেই তিনি ‘আপোষহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি পান।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। এই সময়ে মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, নারীদের চাকলী ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি চালু, ভ্যাট প্রবর্তন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইনের সংস্কার এবং বেসরকারিকরণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা সহ প্রেসিডেন্ট পদ্ধতি বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করাসহ নানা অর্থনৈতিক সংস্কার করেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে (২০০১-২০০৬): চার দলীয় জোটের নেতৃত্বে পুনরায় ক্ষমতায় আসেন এবং জঙ্গিবাদ দমন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দেন। “ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি”: গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য ২০১১ সালে নিউ জার্সির স্টেট সিনেট তাকে এই সম্মাননা দেয়। এরপর ২০০৭ সালে সম্পূর্নভাবে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণ ও গৃহবন্দী হন।

তিনি বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সুপরিচিত। খালেদা জিয়ার জীবন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা তার আপোষহীন নেতৃত্ব ও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অবদান দ্বারা চিহ্নিত। দীর্ঘ আট বছরের অবিরাম, নিরলস ও আপসহীন সংগ্রামের পর বিএনপির বিজয় তাঁর নেতৃত্বকে প্রশ্নহীন করে তোলে। দেশের প্রথম ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোট ২৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন করেছেন। কোনোটিতেই তিনি পরাজিত হননি। তাঁর এক জীবনীকার বলেছেন, ‘দেশের সব জায়গায় তিনি গেছেন। তিনি পরিশ্রমসাধ্য দীর্ঘ সফর করতে পারঙ্গম ছিলেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের ১৪ দিন আগে তিনি সারা দেশে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার ভ্রমণ করেছিলেন।

খালেদা জিয়া জীবনের নানা পর্যায়ে বেশ অনেকটা সময় বন্দিত্বের নির্যাতনের ভেতর দিয়ে অতিবাহিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২ জুলাই থেকে যুদ্ধের শেষ দিন পর্যন্ত সেনানিবাসে বন্দী ছিলেন। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর ১৯৮১ সালে সেনানিবাসের বাড়িতে তাঁকে কিছুদিন গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল। ‘ওয়ান-ইলেভেন’ নামে আলোচিত কালপর্বে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল সড়কের বাড়িতে গৃহবন্দী করা হয়। পরে সেখান থেকে সংসদ ভবনের একটি বাড়িতে সাবজেল ঘোষণা করে এক বছর সাত দিন তাঁকে বন্দী রাখা হয়।

পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত পুরোনো কারাগারে বন্দিত্বের কঠিন সময় কেটেছে খালেদা জিয়ার জীবনে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে ‘ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা’ করা হয়। গ্রেপ্তার করে এই নির্জন স্থাপনাটিতে বিশেষ কারাগার ঘোষণা করে তাঁকে বন্দী রাখা হয়। কারাবন্দী অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে স্লো পয়জনিংয়ের অভিযোগ ওঠে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বারবার বিদেশে চিকিৎসার আবেদন করেও অনুমতি পাননি। মানবিক কারণে ২০২০ সালে তাঁকে রাজনীতিতে যুক্ত না থাকার শর্তে কারাগার থেকে গৃহবন্দী অবস্থায় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। গত বছর ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে সকল দণ্ড মওকুফ করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়ার পর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো। গত ২৩ নভেম্বর এমনই পর্যায়ে তাঁকে শেষবারের মতো রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। এবার তিনি আর চিকিৎসায় সাড়া দিতে পারলেন না। ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত খালেদা জিয়া চিরবিদায় নিলেন তাঁর প্রিয় দেশবাসীর কাছ থেকে।

বেগম জিয়ার শাসনামলে অইেশ যুগান্তকারী পদক্ষেপ দেশবাসীসহ বিশ্বের নিকট প্রসংশীয় ছিলো, এর মধ্যে ১৯৭৫ সালের পর দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু ছিল। ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরিয়ে আনেন। রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা বহাল রেখে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার সুযোগ থাকলেও তিনি সংসদকে রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে দেন যা তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

তিনিনারী শিক্ষার ক্ষেত্রে তার সরকারের সিদ্ধান্তগুলো ছিল বৈপ্লবিক। দশম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালুর মাধ্যমে দেশের নারীশিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আসে। এই কর্মসূচি নারীদের কর্মজীবন ও সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং আন্তর্জাতিক মহলেও এটি একটি সফল ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

এছাড়াও তিনি ২০০১ সালে তার সরকারই প্রথমবারের মতো ‘মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করে। স্বাধীনতার তিন দশক পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুযোগ-সুবিধাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। এটিও তার সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। সেইসাথে পরিবেশ সুরক্ষায় ২০০২ সালে তার সরকার পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। বিশ্বের প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হিসেবে বাংলাদেশ এ সিদ্ধান্ত নেয়, যা সে সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয় এবং পরিবেশ আন্দোলনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

১৯৯২ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়া সংস্থাটির প্রথম নারী চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। দক্ষিণ এশিয়ার মতো রক্ষণশীল অঞ্চলে এটি ছিল নারী নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আরো গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর গঠিত স্বল্পস্থায়ী সংসদে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস করেন। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের অংশ হয়। বিরোধী দলের দাবির প্রেক্ষিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ সুগম করতে এমন সাংবিধানিক পরিবর্তন রাজনীতিতে বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি কখনো সাংবিধানিক শূণ্যতা চাননি।

বর্ণাঢ্য এই রাজনৈতিক জীবন, নির্বাচনী সাফল্য ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বেগম খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্থায়ী আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। শেষে তিনি দেশেল অতি গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। সরকারীভাবে তাঁকে সকল সুযোগ প্রকার সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়েছিলো। তার দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হলেও, রেখে যাওয়া এই রেকর্ডগুলো দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin