সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

বেগম জিয়ার কারনে তিনি আজকে বিএনপি মনোণীত প্রার্থী হয়েছেন:মিলন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: যে নেত্রী আমাদের সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। প্রিয় সেই নেত্রীর জন্য আমরা সারাদেশে দোয়া করছি। আমরা জানি বেগম জিয়া আমাদের বাংলাদেশের মানুষের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। মৃত্যুর পরে তিনি দেশবাসীকে একটি শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর জানাযায় সবাইকে এক কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। সমস্ত আলেম ওলামারা সবাই তাঁর জানাযায় ছিলেন। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে গেছেন। জানাযায় কত মানুষ হয়েছে তা কোন যন্ত্র দিয়েই নির্নয় করতে পারেনি।

সেই নেত্রীর জন্য আমরা আজকে দোয়া মাহফিল করতে এসেছি বলে সোমবার রাতে পবার হরিপুর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাত্র পনের বছর বয়সে বেগম খালেদা জিয়াউর রহমানের সাথে সংসার শুরু করেছিলেন। এরপর ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধেও সময় জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। যার বাড়িতে সেনা সদস্য থাকে, আর যদি যুদ্ধে যায় তাহলে ঐ পরিবারের কি অবস্থা হয়। তা সেই পরিবারের সদস্য ছাড়া কেউ অনুভব করতে পারবেনা। সে সময় থেকেই জিয়াউর রহমানের একনিষ্ট সহধর্মীনি হিসেবে সর্বদা পাশে ছিলেন। এরপর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানী আর্মি ছিলেন। সেখান থেকে চলে এসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন। এরপর বেগম জিয়া চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার সময়ে পাকিস্তানী আর্মির হাতে সন্তানসহ আটক হন।

আটকের পরে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানী আর্মির এক অফিসারের নিকট একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সন্তানের কিছু হলে তিনি ছেড়ে কথা বলবেন না। এরপর বেগম জিয়া আরো সাহসি হয়ে ওঠেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। সে সময়ে তিনি অনেক সংগ্রাম করেছেনে। এরপর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে কতিপর সেনা সদস্যর হাতে শহীদ হওয়ার পরে বেগম জিয়া রান্নাঘর থেকে বেড়িয়ে দলকে বাঁচাতে হাল ধরেন। প্রথমে তিনি সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান হন। পরে তিনি চেয়ারপার্সন হিসেবে দলের হাল ধরেন। এরপর তিনি স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলর করে তার পতন ঘটান। ঐ সময়ে তিনি দেশবাসীর সঙ্গে মোনাফেকী বা বেইমানী করেননি। এজন্য দেশবাসী বেগম জিয়াকে আপোসহীন নেত্রী হিসেবে ঘোষনা দেয়। সেইসাথে ১৯৯১ সালে ভোট দিয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বানান।

তিনি নারী শিক্ষা ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে নারী শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। নারীদের ক্ষমতায়িত করতে তিনি অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করেছিরেন। শুধু তাইনয় তিনি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা চালু করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। দেশের গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি প্রেসিডেন্ট পদ্ধতি বিলুপ্তি করে প্রধানমন্ত্রী প্রথা চালু করেছিলেন। বেগম জিয়ার কারনে তিনি আজকে বিএনপি মনোণীত প্রার্থী হতে পেরেছেন উল্লেখ করে তিনি বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। বক্তব্য শেষে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ ও রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজির হাসানসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin