নিজস্ব প্রতিবেদক : মিনিট্রাক হারানোর প্রায় দুইমাস হলেও এখনো তিনি তার গাড়ী খুঁজে পাননি। এতে তিনি বিপাকে পড়ে গেছেন। তার আয়ের উৎস বন্ধ হওয়ায় সংসারের ব্যায় নির্বাহ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে বলে বলছিলেন ট্রাকের মালিক রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন জিন্নাহ নগর এলাকার লিয়াকত আলী। ট্রাক না পেলেও তিনি নানাভাবে হয়নারী করছেন বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, আড়াইহাজার থানা থেকে এক এসআই চলতি বছরের গত ৩১ জানুয়ারী ফোন দিয়ে বলেন, আপনার গাড়ী নিয়ে আরেকটি গাড়ী এই থানা এলাকা থেকে ছিনতাই করেছে। কিন্তু লিয়াকত বলেন, তার গাড়ীটি এ বছরের ৬ জানুয়ারী জয়দেবপুর থানা এলাকা থেকে ছিনতাই হয়েছে। ট্রাক হারানো মামলা তিনি না করলেও শুকতারা ট্রান্সপোর্ট মালিক একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন। কারন শুকতারা ট্রান্সপোর্ট এর কিছু পন্য ঐ সময়ে ট্রাকে ছিলো বলে জানান লিয়াকত।
লিয়াকত বলেন, তার ট্রাক নিয়ে আরেকটি ট্রাক ছিনতাই করা হয়েছে চলতি বছরের ২০জানুয়ারী। এই কথা বলে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ফুটেজ পাঠান ছিনতাইকৃত আরেক ট্রাক এর মালিক। এরপর তিনি ট্রাক উদ্ধার করার নামে বিকাশ এর মাধ্যমে ১০,২০০/- (দশ হাজার দুইশত টাকা) জয়দেবপুর থানার পুলিশকে দেয়ার কথা বলেন তার কথামত তিনি চলতি বছরের দুই ফেব্রুয়ারী উপরোক্ত টাকা বিকাশ এর মাধ্যমে প্রদান করেন । আর ঐ ট্রাকের মালিক তার ট্রাক উদ্ধারের আড়াই হাজার থানায় টাকা দেবেন বলে জানান।
পরের দিন তিন ফেব্রুয়ারী ঐ গাড়ীর মালিক মোবাইলে বলেন, আপনার গাড়ীটি পাওয়া গেছে। গাড়ী পাওয়া গেছে বলে আবারও খরচ বাবদ ১১,৭৯০/-(এগারো হাজার সাতশত নব্বই টাকা) নেন বলে জানান লিয়াকত। তিনি আরো বলেন, তার ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপার দুইজনই জেল হাজত থেকে গত কয়েকদিন আগে জামিন পেয়ে বাড়িতে এসেছেন। বাড়িতে এসে তারা তার সাথে এখনো দেখা করেননি। কি কারণে তারা দেখা করতে আসছেনা তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
সব কিছু মিলিয়ে তার সাথে উদ্ধার উদ্ধার খেলা থেকে অর্থ আদায় করছে ঐ চক্র বলে তিনি মনে করছেন বলে উল্লেখ করেন। চিটিং করে টাকা নেয়া চক্রটিকে সনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা ট্রাকটি উদ্ধার করে তাকে ফেরত দেয়ার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট অনুরোধ জানান লিয়াকত।
উল্লেখ্য হারনো মিনিট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো ন-১১-৫৭৪৬। ৬ জানুয়ারী-২০২৬ ইং সকাল ৮টায় চালক পিন্টুর বাবা বাড়িতে এসে খবর দেন, পিন্টু ও হেল্পার জাহাঙ্গীরকে বেধে রেখে মিনিট্রাকটি ডাকাত দল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। একই তারিখ বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা নাগাদ জয়দেবপুর থানার এস.আই সুলতান তাঁকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।