রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ কেশরহাট পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করা হবে: এমপি মিলন রাজশাহীতে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন রাজশাহী আরডিএ পার্কের পুকুরে মাছ অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপর করেন আরডিএ চেয়ারম্যান

পবায় খাল খনন প্রকল্পের অব্যয়িত ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ফেরত দিল প্রশাসন

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলায় একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় অব্যয়িত ১ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে বুধবার এই প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলার পারিলা ইউনিয়নে ‘বৈরাগীর খাল’ পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। জলিলের ভাটা থেকে ফলিয়ার বিল পর্যন্ত ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের খননকাজের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ ১২ হাজার ৭৭৬ টাকা।

তবে, চলমান বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে খালে অতিরিক্ত পানি জমে যায়। ফলে প্রায় এক কিলোমিটার (যা মোট কাজের ৩৫ শতাংশ) সম্পন্ন হওয়ার পর বাধ্য হয়ে খননকাজ স্থগিত রাখে প্রশাসন। কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় নিয়মানুযায়ী বেঁচে যাওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন বলেন, “সরকারি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা জনগণের টাকা। তাই এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। বৃষ্টির কারণে যে কাজ করা সম্ভব হয়নি, সেই কাজের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”

সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “সরকারি অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রশাসনের এই উদ্যোগ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

এদিকে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম কাজের অগ্রগতি ও খরচের হিসাব নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অতিবৃষ্টির কারণে প্রকল্পের ৩৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঠিক যতটুকু কাজ হয়েছে, ততটুকু অর্থই ব্যয় হিসেবে দেখানো হয়েছে। অবশিষ্ট ১ কোটি ৮০ লাখ ২৪ হাজার ৭৮৯ টাকা নির্ধারিত সমস্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইতোমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এমন স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ স্থানীয় সচেতন মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin