নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে সচেতনতা, অনুপ্রেরণা ও যুবদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার বাংলাদেশ সিতো-রিউ কারাতে -দো এসোসিয়েশন, রাজশাহী ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্রীড়াবিদ, জাতীয় পর্যায়ে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিনজন খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অভিভাবক ও এনজিও কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আন্তর্জাতিক যুব দিবসের সূচনা ঘোষণা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য, যুবদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং সমাজ ও দেশের উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিনজন মেধাবী খেলোয়াড়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গেম চেঞ্জার-২ প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মহসিন আলম। যুবদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিতো-রিউ কারাতে-দো এসোসিয়েশন, প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই বকুল হোসেন।
অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইফফাত জেরিন এবং মসজিদ মিশন একাডেমি গার্লস শাখার সহকারী শিক্ষক মরিয়ম বেগম যুবসমাজের সম্ভাবনা, দায়িত্বশীলতা, শিক্ষা ও ক্রীড়ার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, মেধা ও প্রতিভাকে বিকশিত করার সুযোগ পেলে তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক যুব দিবসের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুবদের অধিকার, দায়িত্ব, সম্ভাবনা এবং ক্রীড়ার মাধ্যমে ইতিবাচক জীবন গঠনের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন রইচ হেমব্রম ও সেলিম রেজা। গেম চেঞ্জার-২ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সচেতন সোসাইটি এবং সহযোগিতায় রয়েছে এডুকো বাংলাদেশ।
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো মেধাবী কিন্তু দরিদ্র পরিবারের খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুযোগ প্রদান করে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার মাধ্যমে স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে নেওয়া। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী তরুণ খেলোয়াড়রা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে।