নিজস্ব প্রতিবেদক: ধরুন এক পাতার ওষুধের ক্রয়মূল্য ৫২ টাকা ৮০ পয়সা। ওষুধের গায়ের মূল্য ৬০ টাকা। কাস্টমার বলছেন“৫৫ টাকায় দেন।” অর্থাৎ ২ টাকা ২০ পয়সা লাভ রেখে বিক্রি করতে হবে! ভাই, এই ২ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিদ্যুৎ বিল, লাইসেন্স, ট্যাক্স, নষ্ট/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সব সামলাব কীভাবে? অন্য কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা খুব স্বাভাবিক নয়।
যেমন ১ কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকা হলে কেউ দোকানদারকে বলে না কমিশন দিয়ে আমাকে এক কেজি পেঁয়াজ দেন!”কাপড়, জুতা, মুদি পণ্য সব ব্যবসায়ীই লাভ করেন। তাহলে শুধু ফার্মেসি দেখলেই কেন বলা হয়,“গজ থেকে আরও কমে দেন, লাভ করবেন না!”
ফার্মেসি ব্যবসায়ীও একজন ব্যবসায়ী। তাঁদেরও সংসার আছে, দোকানের খরচ আছে, বিনিয়োগ আছে, ঝুঁকি আছে। ন্যায্য দামে ওষুধ বিক্রি করা আর অতিরিক্ত দাম নেওয়া দুটো এক বিষয় নয়। অতিরিক্ত নেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি ব্যবসায়ীকে ন্যায্য লাভ থেকেও বঞ্চিত করা ঠিক নয়।
ক্রেতার যেমন সাশ্রয় করার অধিকার আছে, ব্যবসায়ীরও তেমনি ন্যায্য লাভ করার অধিকার আছে। ফার্মেসি ব্যবসাকে দয়া নয়, ন্যায্য ব্যবসা হিসেবে দেখুন। সেইসাথে ফার্মেসী ব্যবসায়ীরাও কমিশনে নয় ন্যায্যমূল্যে ওষুধ বিক্রি করুন। নোংরা প্রতিযোগিতা থেকে বেড়িয়ে আসুন।