নিজস্ব প্রতিবেদক: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সেই মা যিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করে সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়াই হচ্ছে মায়ের মূর্ত প্রতীকই। দেশবাসী ও বিএনপির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিচ্ছিবি।
জনগণ তার হাতে দেশের দায়িত্বভার তুলে দিয়েছেন। তিনি এই দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এখন অনেক প্রতিকূল অবস্থা, অনেক ষড়যন্ত্র, তারপরও তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বলে শনিবার দুপুরে রাজশাহী আইএইচটির সম্মেলন কক্ষে শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদেরকে আগে নিজেদের লক্ষ্য স্থির করতে হবে। এরপর সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কাঙ্খিত লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত হাল ছাড়া যাবে না। তিনি বলেন, তোমরা সবাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হবে। জনগণের যে প্রত্যাশা একটি সুন্দর চিকিৎসা ব্যবস্থা। সেটি তোমাদের হাত দিয়েই গড়ে উঠবে। তোমরাই আগামী দিনের ভবিষৎ।
তিনি আরও বলেন, অনেকে এখান থেকে পাস করে সারা বিশ্বে সুনামের সাথে কাজ করছেন। আজকে গোটা এশিয়ায় এদেশের সন্তানেরা, এই ইনস্টিটিউটের সন্তানেরা অত্যন্ত যোগ্যতা এবং মেধার সাথে কাজ করছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বাজেটে শিক্ষার পর স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়েছেন। আরও উচ্চতর শিক্ষা। এখন শিক্ষা অনেক আধুনিক হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আপনারাই দেশের ভবিষ্যতে নেতৃত্বে আসবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এদেশের জনগণ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এজন্য স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি সবাইকে পরামর্শ দেন তিনি।
মিজানুর রহমান মিনু আরো বলেন, বাঙ্গালী সেই জাতি, তারা তাদের মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমরা সেই জাতি আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দাঁড়িয়েও তিনি স্বাধীনতার যুদ্ধের ঘোষণার ডাক দিয়েছিলেন। আমরা হাতিয়ার তুলে নিয়ে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করেছিলাম। এরপর দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।
তিনি আরও কলেন, আপনারা জানেন যে গ্যাস এবং বিদ্যুতের যে সংকট তা অনেকটাই সাময়িক। মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসনের কারণেই মূলত এটি তৈরি হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক অবস্থার বিপর্যয়। তারপরও প্রধানমন্ত্রী সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। সবাই মিলে সুন্দর সোনার বাংলা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে বাংলাদেশের ৩০ হাজার কোটি টাকা বিদেশ থেকে চলে গেছে। এই মহা দূর্নীতির কারণে দেশ অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছে। সেখান থেকে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সমৃদ্ধির পথে। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয় এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।
রাজশাহী আইএইচটি ছাত্রদলের আহবায়ক সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন। আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. মির্জা ওয়াসি পারভেজ, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিনসহ অন্যান্য নের্তৃবৃন্দ।