নিজস্ব প্রতিবেদক : নানা আয়োজন ও কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে রাজশাহীতে বাংলাদেশ ডিজিটাল দিবস পালন করা হয়। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় চত্বর হতে র্যালি বের হয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতে ডিজিটাল সেন্টার ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
এরপর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীনের পর ‘উন্নত বাংলাদেশে’র যে স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্যে তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত বাংলাদেশে গড়ে তোলাই হচ্ছে তার মুল লক্ষ। উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশেই হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। সামনে আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়া। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান বিভাগীয় কমিশনার।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল (ই.ই.ই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আরিফুর রহমান, সহকারী কমিশনার (সাধারণ শাখা), অভিজিত সরকার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আইসিটি শাখা) কৌশিক আহমেদও সোনার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত।

আলোচনা সভা শেষে দুই জন সেরা উদ্যোক্তা বাকশিমইল ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা বিলাস কুমার ও বড় বিহানলী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সিয়াফুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।