সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

নানা গুনে গুনান্বিত ঔষধী গাছ হাতিশুর

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২
  • ৩২৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনা পার্শ প্রতিক্রিয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা হচ্ছে ভেজস চিকিৎসা। সৃষ্টির শুরু থেকে এই ভেজস চিকিৎসা চলে আসছে। আজ থেকে ২৫-৩০ বছর পূর্বেও বিশেষ করে গ্রামের মানুষগুলো ভেজস চিকিৎসার উপর বেশী নির্ভর ছিলো। এখনো এর কোন অংশে কম নেই পিছিয়ে নেই এই চিকিৎসা। গাছ গাছরা দ্বারা ইউনিয়ন ও ভেজস ওষুধ কোম্পানীগুলো বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরী করে বাজারজাত করছে। আর সেসব ওষুধগুলো মানুষ ক্রয় করে খাচ্ছে। এছাড়াও গ্রামে গঞ্জে এখনো এর প্রচলন রয়েছে। কারন গাছের মধ্যে নেই কোন ভেজাল। এখন সরকারীভাবে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে ব্যপকভাবে ঔষধী গাছের চাষ হচ্ছে। আর একেক গাছের একেক গুন রয়েছে।

তেমনি বাংলাদেশের আনাচে কানাচে হাতিশুর নামে একটি ভেজস গাছ পাওয়া যায়। যা পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল। গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা ও নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো ও নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী। আর বৈজ্ঞানিক নাম হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম এবং ইংরেজি নাম ইন্ডিয়ান হেলিওট্রোপ।

হাতিশুর গাছের নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে। যেমন- দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়। ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়। জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়। বিষাক্ত পোকার কামড়ে পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়। আঘাতজনিত ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়। যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেলে সর্দি ভাল হবে।

এছাড়াও টাইফয়েড জ্বরে এই উদ্ভিদ এর পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়। একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুর গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন। এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে। রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগালে রিউম্যাটিক বাত থেকে উপশম পাওয়া যায়। দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।

শুধু তাই নয় কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে। ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না এবং ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করলে তা ভাল হয় বলে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin