রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ কেশরহাট পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করা হবে: এমপি মিলন রাজশাহীতে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন রাজশাহী আরডিএ পার্কের পুকুরে মাছ অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপর করেন আরডিএ চেয়ারম্যান

দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি বিএনপি’র

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২
  • ৪৪০ বার দেখা হয়েছে

 

এস.আর. ডেস্ক: দ্রুত নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে সরকারের পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিএনপি। শনিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে দলের র‌্যালিপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির র‌্যালি উপলক্ষে দুপুর ১টা থেকে নয়া পল্টনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ফলে মতিঝিল, কাকরাইল, শাহজাহানপুর, শান্তিনগরসহ বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। র‌্যালি উপলক্ষে এই এলাকায় পুলিশসহ সাদা পোশাকের সদস্যরা মোতায়েন ছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই র‌্যালির মাধ্যমে আমরা অবৈধ সরকারের কানে যে বাণী পৌঁছে দিতে তা হলো—তোমার দিন শেষ। এই র‌্যালি থেকে আমরা হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) এবং তার সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এখনও সময় আছে—পদত্যাগ করুন, দ্রুত নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।

‘অন্যথায় আপনারা পালাবারও পথ খুঁজে পাবেন না। সব ডিক্টেটর, সব স্বৈরাচারী, সব ফ্যাসিবাদীর যে পরিণতি হয়েছে, আপনাদেরও সেই একই পরিণতি হবে। আসুন এই লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। স্বাধীনতা দিবসের দিন জিয়াউর রহমানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, “আজকে সারা দেশের মানুষ স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এই আক্ষেপ করছে যে কী পেয়েছি? আজকে আমাদের কথা বলার স্বাধীনতা নেই, নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবার স্বাধীনতা নেই। মানুষের গণতান্ত্রিক কোনও অধিকার নেই।”

দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ করে এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। ২৫ মিনিট সমাবেশ করে র‌্যালি শুরু হয়। নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে বিজয় নগর ও তোপখানা রোড হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে অংশ নেয়। তাদের হাতে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ব্যান্ড সংগীত দলের সুরের মূর্ছনা, পুরনো ঢাকার ঘোড়ার গাড়ি, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের নানা দৃশ্য প্রদর্শন, লাল-সবুজ-হলুদ ক্যাপ পরা নেতাকর্মীদের স্বাধীনতার র‌্যালি দেখতে ফুটপাতে দুই পাশে মানুষজনও ছিল ব্যাপক। তারা করতালি দিয়ে র‌্যালিকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়।

র‌্যালি শুরুর দুই ঘণ্টা আগে থেকেই ফকিরেরপুল থেকে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেস্তোরাঁ মোড় পর্যন্ত তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না, হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে র‌্যালি জনসমাবেশে রূপ নেয়। র‌্যালির অগ্রভাগ যখন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তখন শেষ ভাগ কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় অতিক্রম করেছিল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকে সময়ের দাবি, জনগণের দাবি এই সরকারকে হটাতে হবে। অনতিবিলম্বে এই সরকারের পদত্যাগ চাই, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটা নির্বাচন চাই।”

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আজকে সত্য বলতে পারে না গণমাধ্যম। ডিজিটাল আইন, সেই আইন-এই আইন করে আজকে বাংলাদেশের গণমানুষের মুখকে চেপে ধরা হয়েছে। আসল কোনও সংবাদ দেশের মানুষ পায় না। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের কি অবস্থা আজকে সেটা পত্রপত্রিকায়-মিডিয়ায় রিফলেক্ট হচ্ছে না।’

মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত র‌্যালিতে উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামও বক্তব্য রাখেন।পরে র‌্যালিতে হেঁটে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিবসহ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, এজেডএম জাহিদ হোসেন, রুহুল কবির রিজভী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শ্যামা ওবায়েদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কামারুজ্জামান রতন, নাজিম উদ্দিন আলম, মীর সরফত আলী সপু, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আমিরুল ইসলাম আলীম।

আরো অংশ নেন শামীমুর রহমান শামীম, সেলিমুজ্জামান সেলিম, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান, অঙ্গসংগঠনের মহানগরের আমিনুল হক, হাবিবুর রশীদ হাবিব, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, আবুল কালাম আজাদ, রফিকুল ইসলাম মাহতাব, শাহ নেসারুল হক, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জলসহহ হাজার হাজার নেতাকর্মী।

 

 

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin