মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীর বারাহী, নবগঙ্গা ও বারনই নদীর দূষণ বন্ধের দাবীতে নওহাটায় মানববন্ধন অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জয়নাল এর পাশে বিএনপি নেতা সুলতান আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই: বিভাগীয় কমিশনার পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময়

রাজশাহীর খরখড়িতে জোরপূর্বক দোকান ঘর দখলে রাখার অভিযোগ

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৩১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী চন্দ্রিমা থানাধীন খরখড়ি মোড়ে হারুন মার্কেটের ১নং দোকান ঘর জোর করে দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে ভাড়াটিয়া রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। দোকানটি রাজশাহী বাইপাশ রোডের ললিতাহার মৌজায়। যার জে.এল.নং- ১৭৭, আর.এর দাগ নং- ৫৮৫। দোকানের মালিক হারুনর রশিদ বলেন, গত ২০১১ সালের ১৫ এপ্রিল ভাড়াটিয়া ললিতাহার গ্রামের আবুল কাশেম মল্লিকের ছেলে রবিউল ইসলামের সাথে অত্র দোকান নিয়ে দশ বছরের জন্য স্ট্যাম্পের উপরে লিখিতভাবে ভাড়াচুক্তি হয়। সেই চুক্তির মেয়াদ গত ১৫ এপ্রিল ২০২১ সালে শেষ হয়।

হারুন বলেন, দোকান ভাড়ার মেয়াদ শেষ হলে তিনি রবিউলকে দোকান ছেড়ে দিতে বলেন। কিন্তু রবিউল সে সময়ে দোকান ঘর ছেড়ে না দিয়ে নিজের দোকান ঘর করার অজুহাতে তিন মাসের সময় চাইলে মৌখিকভাবে সময় দেয়া হয়। সে মেয়াদ শেষ হতেই তিনি আবারও তিন মাসের সময় চাইলে সবার অনুরোধে আবারও সময় দেন রবিউলকে। সে সময় পার হয়ে গেলেও তিনি আবারও ষড়যন্ত্র করে দুই বছরের সময় চান। মূলত দোকান ঘরটি নিজের করে নেয়ার লালসে তিনি বার বার এই ধরনের আচরন করছেন বলে জানান হারুন।
হারুন আরো বলেন, তিনি আর সময় না দেয়ার জন্য চন্দ্রিমা থানার দারস্থ হলে অত্র থানার অফিসার ইনচার্জ উভয়কে ডেকে বসিয়ে আবারও ছয় মাসের জন্য রবিউলকে দোকান চালানোর জন্য দেন। সেইসাথে একটি সাদা কাগজে ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে নিজেই লিখিত করেন। এই লিখিত কাগজে পারিলা ইউপি সদস্যসহ আরো বেশ কয়েকজন স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন। এপর সেই ছয়মাসের মেয়াদও গত ২ আগস্ট ২০২২ ইং তারিখ শেষ হলে তিনি দোকার না ছেড়ে এখন সন্ত্রাসী বসিয়ে নিজের দখলে রেখেছেন। শুধু তাইনয় দোকান ঘর দখলে রাখতে কোর্টে একটি মিথ্যা মামলা করেছেন বলে জানান হারুন।
তিনি এ নিয়ে চন্দ্রিমা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ নিজে সুরাহা না করে পারিলা চেয়ারম্যান বরাবরে প্রেরন করেন। এতে বিষয়টি আরো দীর্ঘ মেয়াদি হয়ে গেছে বলে অভিযোগ হারুন। এ ঘটনা নিয়ে অত্র এলাকায় এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময়ে আইন শৃংখলার অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানান হারুন।
এ বিষয়ে জানতে রবিউল ইসলামকে সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মোবাইলে কল করলে তিনি এ বিষয়ে রাতে কথা না বলে, সকালে কথা বলতে চান। সেইসাথে মোবাইল কেটে দেন। তবে ঘটনা সম্পর্কে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, তিনি নিজেই এটা ছয়মাস পূর্বে একটি লিখিত করে সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু রবিউল সে সমাধান অমান্য করে দোকান ছেড়ে না দিয়ে কোর্টে মামলা করায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি তিনি অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের উপরে দায়িত্ব দিয়েছেন। খুব দ্রুত সময়ে হয়ত এর সমাধান হবে। সেইসাথে তিনি তার ফোর্স সেখানে পাঠিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন ওসি।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin