নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে সারা দেশের মতো রাজশাহীতেও বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর যুবদরের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগরীর সোনাদিঘীর মোড়ে সিটি সেন্টারের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে রফিকুল ইসলাম রবি বলেন, ইসরাইল গাজাকে ধ্বংস করার জন্য সব থেকে ক্ষতিকারক বোমা বিস্ফোরণ মারাত্মক সব অস্ত্র ব্যবহার করছে। এতে করে গাজায় হাজার হাজার শিশু, নারী ও বয়স্ক সহ বে-সামরিক লোক নিহত হচ্ছে। শুধু তাই নয় স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা, মসজিদ, মাজারসহ মুসলিমদের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে। এছাড়াও প্রতিটি বাড়ি ও ভবন ধ্বংসে পরিণত করে ফেলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রকৃত পক্ষে গাজাকে ধ্বংস করাই হচ্ছে ইসরাইলের মূল লক্ষ।

ইসরাইলকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে বাংলাদেশের সকল মানুষকে ইসরাইলী পন্য বর্জন করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে ইসরাইলী পন্য ফেলে দেয়ারও আহ্বান জানান রবি । তিনি বলেন, গাজার মুসলিম ভাই বোনদের বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধে যাওয়ার ঘোষনা দেন তিনি। সেইসাথে সবাইকে ইসরাইলী পন্য বর্জন ও মুসলিমদের রক্ষায় যুদ্ধ ঘোষনা করেন তিনি।
রবি বলেন, ভারতেও মুসলিমদের উপরে অত্যাচার করছে। সেইসাথে বিশ্বের অন্যান্য যে সকল দেশে মুসলিমরা অত্যাচারিত হচ্ছে সে সকল দেশের পন্যও বর্জন করারও আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে ইসরাইলী পন্য কোকা কোলার বোতল ধ্বংস করেন তারা শেষে গাজার মুসলিমসহ বিশ্বেরে সকল মুসলিমকে রক্ষায় আল্লাহর রহমত চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এরপর সোনাদিঘীর মোড় হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নানা ধরনের স্লোগান দেন। সেইসাথে ভারতের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন তারা। মিছিল নিয়ে তারা মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলুপট্টি মোড়ে যেয়ে নেতানিয়াহুর কুশপত্তলিকা পুড়িয়ে দেন। সেইসাথে নেতাকর্মীরা তার কুশপত্তলিকায় লাথি মেরে প্রতিবাদ জানান। পরে আবারও তারা মিছিল নিয়ে সিটি সেন্টারের সামনে এসে শেষ করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ এর মধ্যে দিয়ে কর্মসূচী শেষ করেন। এ সময়ে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যগণ এবং মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।