মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

টেন্ডারে অনিয়ম: সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েও কাজ পেল না প্রতিষ্ঠান

  • প্রকাশ সময় বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২
  • ৫৭৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সর্বনিম্ন দরদাতাকে রেখে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহীর দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীরা বলছেন, গোপন সম্পর্ক থাকায় অবৈধভাবে খামারের উপ-পরিচালক আতিকুর রহমান সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেছেন। তার এমন কর্মকাণ্ডে সরকার প্রায় ৬৫ লাখ টাকার রাজস্ব হারাতে চলেছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন পশুখাদ্য ক্রয়ে গত ২২ এপ্রিল দরপত্র আহ্বান করে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ীহাটের দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামার কর্তৃপক্ষ। তবে দরপত্র আহ্বানের নির্ধারিত সময় ও নিয়ম মেনে টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী যেসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন দর দিয়ে প্রথম হয়েছে তাদেরকে কাজ না দিয়ে দ্বিতীয় দরদাতা ও ৬ষ্ঠ দরদাতাকে কাজ দেওয়া হয়েছে।

ঐ টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রজব অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী রজব আলী জানান, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পশু খাদ্য সরবরাহের জন্য টেন্ডারে অংশগ্রহণ করি। ৬৮২৯৯৮ টেন্ডার নম্বরে গমের ভূষি সরবরাহের জন্য দরপত্রে অংশগ্রহণ করে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করি। তাদের কাগজপত্রেও আমাদের সিরিয়াল প্রথম রাখা হয়। তবে আমার প্রতিষ্ঠানকে কাজ না দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স করিম ট্রেডার্সকে কাজটি পাইয়ে দেওয়া হয়।

রজব আলী ও তার প্রতিনিধি জাকির হোসেন টুটুল আরও অভিযোগ করেন, ৬৮৩১১০ নম্বর টেন্ডার নম্বরে সয়াবিন খাবার, ভূট্ট্রার ভিটামিন প্রিমিক্স, রকসল্ট ও চুনা পাথর সরবরাহের আহ্বান করা হয়। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আব্দুস সাফি সালেক প্রথম হলেও তাকে কাজটি না দিয়ে এখানেও ৬ নম্বর দরদাতা প্রতিষ্ঠান মেসার্স করিম ট্রেডার্সকে কাজ পাইয়ে দিতে খামারের উপ-পরিচালক সহযোগিতা করছেন।

৬৮৩০৯৭ নম্বর টেন্ডারে ধানের খড়, ডালের তুষ, ছোলা সংগ্রহ, ডাই-ক্যালসিয়াম ফসফেট ও লোডিন সল্ট সরবরাহের আহ্বান করলে সেই টেন্ডারেও মেসার্স আব্দুল সাফি সালেক প্রথম দরদাতা হিসেবে থাকলেও ৬ নম্বর দরদাতা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স করিম ট্রেডার্সকে খাদ্য সরবরাহের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দুগ্ধ ও গবাদি উন্নয়ন খামারের উপ-পারিচালক আতিকুর রহমান বলেন, তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। কাজ কে পাবে এমন সিদ্ধান্ত হয়তো নেওয়া হতে পারে, কিন্তু টেন্ডার এখনো পুরোপুরি পাশ হয়নি। তারা কেন অভিযোগ করেছেন জানা নেই। ই-জিপি টেন্ডারে অসাধু অবলম্বনের কোন সুযোগ নাই। সর্বনিন্ম দরতাদা হলেই যে কাজ পাবে বিষয়টি এমন নয়। যারা কাজটি পাইনি তারা টেন্ডারের নিয়ম অনুযায়ী সকল কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি।

একই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তিনটি কাজই কিভাবে পেলো? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হয়তো কাকতালীয়ভাবে তিনি পেয়ে গেছেন। তার কাগজ পত্র সঠিক আছে অন্যদের নাই তাই হয়তো তিনিই পেয়েছেন।

এ নিয়ে বাংলাদেশ প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর কৃষি খামার বাড়ী পরিচালক (উৎপাদন) ড. রেয়াজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা আছে । এটি নিয়ে কাজ চলছে।

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin