নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা আয়োজনে রাজশাহীর তানোরে কারিতাস বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়। শু“ভালোবাসা ও সেবায় ৫০ বছরের পথ চলা”Ñ এ মূলসুর ঘিরে তানোরের মুন্ডুমালার ফজর আলী মোল্লা ডিগ্রী কলেজ মারেঠ দুইদিন ব্যাপি কৃষকদের শিক্ষণীয় মেলা ও গণসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পারিচালিত হয়। উপস্থিত অতিািথবৃন্দ সুর্বণজয়ন্তী ও মেলার উদ্বোধন করেন। এর পরে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি ফজর আলী মোল্লা ডিগ্রী কলেজ হতে শুরু হয়ে মুন্ডমালা বাজার প্রদক্ষিণ করে পূণরায় অত্র কলেজে এসে শেষ হয়ে। পরে অতিথিবৃন্দ জাতীয় ও কারিতাস এর পতাকা উত্তোলন করেন।

কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মি. সুক্লেশ জর্জ কস্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ (ময়না)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা নির্বাঞি অফিসার পংকজ চন্দ্র দেবনাথ, এবং তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্বীকৃতি প্রামানিক।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধাইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, , মুণ্ডমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামেল মার্ডী,সহ বিভিন্ন সরকারি,বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন স্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মীবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন মিত্র, যুবক-যুবতী, কারিতাসের সহযোগী সমিতির সদস্য এবং জনসংগঠন ও আদিবাসী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া প্রতিনিধি, সমমনা এনজিও প্রতিনিধিগণ।
অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে ছিল- জুবিলী উপলক্ষ্যে বিশেষ মানবিক সহায়তা হিসেবে ১০ জনকে আইজিএ সহায়তা, ২ জনকে শিক্ষাবৃত্তি সহায়তা, পাঁচ দশকের চিহ্নস্বরূপ কলেজ ক্যাম্পাসে ৫টি বৃক্ষরোপন, কৃষি স্টল প্রদর্শন ও সফল কৃষকের গল্প সহভাগিতা, ইত্যাদি। এছাড়া কারিতাস বাংলাদেশ- ভালবাসা ও সেবায় ৫০ বছরের পথচলা বিগত ৫ দশকের ঐতিহাসিক, স্মরণীয় ও উল্লেখযোগ্য অর্জন সহভাগিতা, কারিতাসের কার্যক্রমের উপর জীবনসাক্ষ্য প্রদান, অতিথিদের উত্তরীয় ও জুবিলী সম্মাননা স্মারক প্রদানসহ কার্যক্রমও অনুষ্ঠানে অন্তর্ভূক্ত ছিল। উল্লেখ্য অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কারিতাস রাজশাহী অঞ্চল কর্মসূচি কর্মকর্তা (ডিএম) দীপক এক্কা।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে সভাপতি কারিতাস বাংলাদেশের ৫০ বছরের কার্যক্রম সম্পর্কে তুলে ধরেন। সেইসাথে বিশেষ অতিথিবৃন্দ কারিতাস এর কার্যক্রমের উপরে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, কারিতাস ১৯৭০ সাল থেকে বাংলাদেশের আর্ত-মানবতার সেবা এবং দূর্যোগ কালীন ও স্বাধীণতা পরবর্তী দেশ গঠনে ব্যপক ভূমিকা রেখে চলেছে বলে জানান তারা। আগামীতেও এই ধরনের কার্যক্রম আরো বেগমান হবে বলে অতিথিবৃন্দ আশাব্যক্ত করেন। শনিবার অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মধ্যে দিয়ে দুইদিনব্যাপি এই কর্মসূচীর সমাপ্তি হবে বলে আয়োজক সংস্থা জানান।