সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান

পতিত সরকার বিচার বিভাগকেও দলীয়করণ করেছিলো

  • প্রকাশ সময় রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পতিত সরকার সতের বছর বিচার বিভাগকে নগ্ন দলীয়করণ রেখেছিলো। হাসিনা যা নির্দেশনা দিতেন সেটাই হতো। জিয়া অরফান্ডেজ মামলায় ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করে ফরমায়েশী রায় দিয়ে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিলো।এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করলে হাইকোর্ট তার সাজা না কমিয়ে বাড়িয়ে দশ বছর করেছিলো বলে হড়গ্রাম ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপি এলাকাবাসীর আয়োজনে অত্র ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পতিত সরকারের আমলে আইনের যারা রক্ষক ছিলেন তারাই ভক্ষক হয়ে গিয়েছিলো। নির্বাচন আসছে। এটাকে ঘিরে জনগণের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সতের বছরে এটা দেখা যায়নি। তখন বার কোটি ভোটার এবং তিনশ প্রার্থী ছিলো। এবারেও সেটাই আছে। ভোট প্রদান করবে ভোটারগণ, আর পতিত সরকারের আমলে ভোট দিতো একজন। সে হলো খুনি হাসিনা। হাসিনা দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। দেশের মানুষের স্বাধীনতা হরণ করেছে, সর্বোপরি দেশটাকে হাসিনা জাহান্নামে পরিণত করেছিলো বলে জানান মিলন।

মিলন বলেন, শেখ হাসিনা ভোট করেছে। আর তাকে সহযোগিতা করেছে জাতীয় পার্টি। সেইসাথে শিক্ষকরাও দুর্নীতির মধ্যে পরে গিয়েছিলেন। ভোটের দিন সহযোগীতা করার জন্য চায়না থেকে তৈরী করা নতুন কচকচে টাকা তাদের তুলে দিতো। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে পেয়েছে। বাড়ির অভিভাবক যদি চোর হয়, তাহলে বাড়ির সবাই চোর হয়। এ চোরের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। সেইসাথে মাদার অব ডেমোক্রেসী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এবং পবা-মোহনপুরবাসীর পক্ষ থেকে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানা। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতার প্রতিক ধানের শীষের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, গায়েবী মামলা করে ঘরছাড়া করেছিলো। ষাট লক্ষ নেতাকর্মীর নামে পাঁচ লক্ষ মামলা, বিশ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, সতেরশ নেতাকর্মীকে গুম করেছিলো। সেইসাথে তাদের আয়না ঘরে রেখে নির্যাতন করতো। হাসিনা নমরুদের চেয়ে খারাপ একজন মহিলা। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যখন মেজর জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ঘোষনা দেন তখন বেগম জিয়া জানতেন না। এরপর বেগম জিয়া চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পথে পাকিস্তানী আর্মির নিটক আটক হন। তাহলে স্বাধীনত যুদ্ধে তাঁর অবদান কি ছিলো বলে প্রশ্ন করেন তিনি।

মিলন বলেন, বেগম জিয়া তার স্বামীকে হারিয়েও দমে যাননি। তিনি ঘর থেকে বেড়িয়ে বিএনপির হাল ধরেছেন। তিনি স্বৈরাচার পতনের জন্য একদফা আন্দোলন করেছিলে। সে সময়ে আওয়ামী লীগ বেইমান এবং জামায়াতে ইসলাম মোনাফেক এ পরিণত হয়েছিলো এরশাদ এর সাথে নির্বাচনে যেয়ে। প্রকৃত পক্ষে জামায়াত কোনদিন এ দেশের জনগণের নয়। জামায়াত ১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ভারতের পক্ষে ছিলো। বাংলাদেশ পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তারা পািকস্তানের পক্ষ নেন। আবার ১৯৮৬ সালে মোনাফেক হন। ১৯৯৬ সালে আবারও বেইমানের সাথে আঁতাত করে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলো।

তিনি বলেন, জামায়াত নির্বাচনকে পেছানোর জন্য একবার বলে পিআর পদ্ধতি, একবার বলে সংস্কার। এখন বলছে গণভোট না হলে নির্বাচন হবেনা। আরে তোমরা যদি নির্বাচন করতে নাই দাও তাহলে প্রার্থী কেন ঘোষনা করেছো। এই মোনাফেকী এবং বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করা বন্ধ করো। যারা দুনিয়াতে বেহেস্তের টিকিট করে তারা হলো কাফের । এই কাফেরদের থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন মিলন।

হড়গ্রাম ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির অন্তর্গত ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ বাবলুসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin