আমি জিএফএম হাসনুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী ও সভাপতি বিএমডিএ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। আমাকে জড়িয়ে রাজশাহী থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক সানশাইন’ পত্রিকার প্রথম পাতার ৪ ও ৫ কলামে এবং ২এর পাতার ৬ কলামে বিএমডিএ’র দুই নেতার ইন্ধনে ২০ বছর ধরেই বেপরোয়া অপারেটর শাখাওয়াত এবং দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার দুই এর পাতার ৭ও ৮ কলামে দুই নেতার ইন্ধনে ২০ বছর ধরেই বেপরোয়া অপারেটর শাখাওয়াত’ এবং অনলাইন পোর্টাল পদ্মা টাইমস ২৪.কম এ বিএমডিএ’র নেতার ইন্ধনে বেপরোয়া ছিলো অপারেটর শাখাওয়াত’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই সংবাদে আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো সত্য নয়। উক্ত প্রকাশিত সংবাদগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি এর সাথে কোন ভাবেই জড়িত নয় বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
আমি জিএফএম হাসনুল ইসলাম ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্র্যন্ত বিএমডিএ এর কাঁকনহাট শাখায় কর্মরত ছিলাম। সে সময়ের সকল অপারেটরের সাথে ভাল সম্পর্ক ছিলো। ব্যক্তিগতভাবে কারো সাথে আমার গভীর সর্ম্পক ছিলোনা। এখনো নাই। চাকরী করার ক্ষেত্রে যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই সম্পর্ক রয়েছে তাদের সাথে। পত্রিকায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তাতে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের অপকর্ম ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার লক্ষে আমাকে অফিসিয়াল, সাংগঠনিক, সামাজিক ও পারিবারিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপ-প্রচার চালাচ্ছে। আসল তথ্য উদদঘাটন করে অপপ্রচারকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। সেইসাথে আবারও এই ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা সংবাদটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবী করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।