নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামালার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ভূক্তভোগি ছাত্রদল রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজের সাবেক সভাপতি ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান শিশিল।
তিনি উল্লেখ করেন তার পিতা মাহাবুব আলম ছিলেন রাজশাহীর একজন সনামধন্য একজন ঠিকাদার। বর্তমানে নিজেও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম শহারন এন্টার প্রাইজ। তিনি নিয়মিত বাংলাদেশ সরকারকে ট্যাক্স প্রদান করে থাকেন। আমি বহু পূর্ব হতে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রাজনীতি সাথে জড়িত। তিনি রাজশাহী গভঃ ডিগ্রী কলেজের ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের ১নং সহ, সভাপতি পদে ছিলেন এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন।
তিনি উল্লেখ করেন গত ৩ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে ভদ্রা পারিজাত আবাসিক এলাকার ২নং রোডের ১৫নং বাড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ এর সহযোগী সংগঠন যুবলীগের মহানগর সভাপতি তৈৗরিদ আল মাসুদ রনি অবস্থান করছে এমন সংবাদ এর ভিডিও প্রকাশ হলে স্থানীয় ১০০থকে ১৫০ জন মানুষ ঐ বাড়ি ঘিরে রাখে এবং ঐ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে মর্মে বিএনপির বিভিন্ন হোয়াটএ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদটি তিনি সহ জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদল, এক ঝাঁক তরুন নেতা কর্মি উপস্থিত হন।
তিনি বলেন, ঐ স্থানে উপস্থিত হওয়ার মূল কারণ ছিল সেখানে পূর্ব থেকে উপস্থিত উত্তেজিত জনগণকে সশন্ত করে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করা। প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয়রা তার ফ্লাটে উপস্থিত হয়ে তল্লাসি চালায়। যা সমগ্র যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করা হয়। পরবর্তিতে জানতে পারি সেই ফ্লাটে আমার ভায়ের শশুর অবস্থান করে। তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা উদ্দেশ্য প্রণিত ও ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূলত তার এবং তার বড় ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভাল যাচ্ছেনা। এই সুযোগ নিয়ে আমার বড় ভাইয়ের শাশুড়ী মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক এই মামলা দায়ের করেন। সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করার লক্ষেই তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন বিগত স্বৈরাচার পতিত সরকারের আমলে তার বড়ভাই মেহেদী হাসান সিজার স্বৈরাচারের অন্যতম দোসর ছিলেন। এখনো আছেন। সে সময়ে তিনি ঢাকা রেঞ্জ ডি আইজি সৈয়দ নূরুল ইসলাম বা নূরুল এসপি লীগ নামে যিনি পরিচিত তাকে দিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিয়ে তাকে হয়রানী করে পরবর্তিতে মহনগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তৈৗরিদ আল মাসুদ রনি দিয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে হেও প্রতিপন্ন করে।সেইসাথে তারা তার জীবন নাজেহাল করে তোলে। ৫ আগস্টের পরে তার বড় ভাই নিজেকে বাঁচাতে নতুন করে বিএনপি সাজতে চায়। তার বড় ভাই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের অর্থদাতা ছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে ঐ বাসায় তল্লাসির সময় সাথে সাথে রনি ফোন দিয়ে তল্লাসী না করার কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, তার বড় ভাই তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে যে কথা গুলো সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেছেন সেগুলো সব মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে তার বড় ভাই একজন আওয়ামী লীগের দোসর। আওয়ামী লীগের আমলে প্রত্যয়ন নিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন। ঐ প্রত্যয়নপত্র রয়েছে উল্লেখ করে তা সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন। সেইসাথে তিনি সাংবাদিক নানা প্রশ্নের জবাব দেন। শেষে তিনি মিথ্যা ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানান এবং তার জীবনের নিরাপত্তা প্রদানের অনুরোধ করেন তিনি।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর খালেদ তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জানি, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাকসুুদুর রহমান সৌরভ ও আরফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সদস্য সচিব ও সিটি বক্সিং ক্লাবের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আরিফুজ্জামান সোহেল (আরিফ)সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।