নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপার্সন তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার প্রদানের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে রাজশাহী জেলা যুবদলের আয়োজনে নগরীর অলোকার মোড়ে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অুনষ্ঠিত হয়। সমাবেশের পূর্বে বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তারা মিছিল নিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
পরে রাজশাহী জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদুর রহমানের সজনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুলের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদ।

উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সদস্য এ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার, সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন, রায়হানুল আলম রায়হান, গোলাম মোস্তফা মামুন, রফিকুল ইসলাম রফিক, তোফায়েল হোসেন রাজু, আমিনুল হক মিন্টু, সদর আলী, পুঠিয়া বিএনপির আহবায়ক আবু বাক্কার সিদ্দিক, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আলামিন সরকার টিটু, সদস্য সচিব নাজমুল হক, যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম প্রিন্স, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এ্যাডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা পারভীন।
এছাড়াও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান আহমেদ, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন মুকুল, পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন জাদু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাকসুদুল হক লিটন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার আমিন বিপুল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ আরফিন কনক, সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম কুসুম ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফায়সাল সরকার ডিকো ও যুগ্ম সম্পাদক শামীম সরকারসহ রাজশাহী জেলার বিভিন্ন থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক, আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্য সচিবগণসহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তাঁর গলা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। এছাড়াও নানাবিধ জটিল রোগে তিনি আক্রান্ত। বিদেশে না নিলে যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আর কোন রকম দূর্ঘটনা ঘটলে এই দায় সরকারকে নিতে হবে। সেইসাথে দেশব্যাপি অরাজকতার সৃষ্টি হলে সে দায়ও সরকারের উপর বর্তাবে বলে কক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সরকার প্রধান আইন দেখাচ্ছেন। নিজেদের সামান্য কিছু হলে লন্ডন, আমেরিকাসহ অনান্য দেশে চিকিৎসা নিতে যান। তখন তারা দেশের ডাক্তারের উপর ভরসা করতে পারেন না। অথচ তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে এই রাতের অন্ধকারের সরকার নানাবিধ টালবাহানা করছে, যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা দাবী এবং বেগম জিয়াকে বিদেশে না পাঠানো পর্যন্ত কঠোর আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
তিনি আইন শৃংখলাবাহিনীর দিকে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, সরকার ও তার শরিকরা নগরীতে মিছিল, সভা ও সমাবেশ করলে তাদের পাহারা দিয়ে সব কিছু করতে দেয়া হয়। আর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সমাবেশ ও মিছিল করার কথা শুনলে গায়ে ফোসকা পড়ে যায়। তাদেরকে গায়ে পানি ঢেলে শান্ত থাকার আহবান জানান তিনি। সেইসাথে বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর জন্য আবারও জোর দাবী জানান তিনি।