নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা দুই বছর করোনার কারনে প্রায় সব ধরনের ব্যবসা বন্ধ ছিলো। এ বছরে করোনার প্রকোট না থাকায় অন্যান্য ব্যবসার সাথে শুরু হয়েছে তৈরী পোষাকের ব্যবসা। এর ব্যতিক্রম ঘটেনি ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী সপুরা সিল্কেও। ৪৫,০০০ হাজার স্কয়ার ফিটের শো-রুমে রয়েছে সকল বয়সের, সকল ধরনের সিল্কের তৈরী পোষাক।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে অত্র শো-রুমে গেলে ঈদ উপলক্ষে কেনা কাটায় ব্যস্ত দেখা যায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের। ক্রেতারা তাদের পছন্দমত বিভিন্ন ধরনের পোষাক ক্রয় করছেন। ক্রেতা ইমতিয়াজ আহম্মেদ, সাবিনা ইয়াসমিন, আলমগীর হোসেন, রুবেল, মৌমিতা ও আরাফাত রহমান বলেন, রাজশাহীতে সিল্কের মধ্যে রাজশাহী সপুরা সিল্ক মিল্ক লিমিটেড অন্যন্য। এখানে সকল ধরনের পোষাক সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়।
তারা আরো বলেন, এখানকার পোষাকের ডিজাইন একটু হলেও আলাদা। এজন্য তারা এখানে নিজের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য পোষাক ক্রয় করতে এসেছেন। এছাড়াও সুন্দর পরিবেশে কোন প্রকার বিড়ম্বা ছাড়াই পছন্দের পোষাক ক্রয় করা যায় বলে জানান তারা। মূল সম্পর্কে জানতে চাইলে তারাসহ আরো অন্যান্য ক্রেতারা বলেন, কাপড়ের মান অনুযায়ী মূল্য ঠিক আছে।
এবারের ঈদে বেচা বিক্রি সম্পর্কে জানতে চাইলে অত্র প্রতিষ্ঠানের সেলস্ ম্যানেজার সাইদুর রহমান বলেন, করোনা কাটিয়ে উঠে এবার আবারও করোনার পূর্বের বছরের ন্যায় আবারও ব্যবসা শুরু হয়েছে। এই শো-রুমে সব থেকে জনপ্রিয় পোষাক রয়েছে মসলিন এর। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সিল্কের তৈরী পোষাকও রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে রাত ১২টা অবধি চলছে ব্যবসা। তিনি আরো বলেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলা এবং দেশের অন্যান্য জেলা হতেও ক্রেতা আসছেন তাদের পছন্দের সিল্কের পোষাক ক্রয় করতে। সেইসাথে বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশীরাও এখানে এসে সিল্কের পোষাক ক্রয় করতে পিছিয়ে নেই বলে উল্লেখ করেন সাইদুর রহমান।
সিল্কের ধরন এবং পোষাকের মূল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সাইদুর রহমান বলেন, মসলিন শাড়ী ৬,৫০০টাকা থেকে ২০,০০০টাকা, পাঞ্জাবী ৮,০০০ টাকা থেকে ১০,০০০টাকা, প্রি-পিচ ৪,৫০০টাকা থেকে ২০,০০০টাকা পর্যন্ত রয়েছে। এছাড়াও বলাকা সিল্ক, ধুপিয়ান সিল্ক, এনডি সপ্ট সিল্ক এর শার্ট, শাড়ী, পাঞ্জাবী ও থ্রি-পিচ রয়েছে। এসব সিল্কের একটি শার্ট ১,৯০০- ২,২০০টাকা, পাঞ্জাবী ৩,৫০০ থেকে ২০,০০০টাকা, থ্রি-পিচ এনডি সিল্ক ৪,৫০০টাকা, বলাকা ৮,০০০-১৩,০০০টাকা, শাড়ী ষ্টিজ ১০,০০০-১৬,০০০টাকা, সপ্ট সিল্কের শাড়ী ২,১০০টাকা থেকে ৭,০০০টাকা পর্যন্ত।
তিনি আরো বলেন, এক শো-রুমে রয়েছে সকল ধরনের পোষাক। এছাড়াও স্যান্ডেল ও শিশুদের তৈরী পোষাকসহ রয়েছে নানা ধরনের পন্যের সমাহার। সেইসাথে রয়েছে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা। দিনরাত এখানে মার্কেট করতে আসলেও ক্রেতাদের কোন সমস্যা নাই বলে ক্রেতাদের নিশ্চয়তা প্রদান করেন সাইদুর রহমান।