নিজস্ব প্রতিবেদক: মা ও সৎ বাবার লাথিতে মেয়ের ভ্রুন নষ্টের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ফয়জুন নেসা বৃষ্টি । রোববার বিকেলে পবা উপজেলার ডাঙেরপাড়া গ্রামের শশ্বুর বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, তার মা বিউটি খাতুন প্রেমতলী কলেজের শিক্ষিকা ও তার ৪নং স্বামী তার সৎ বাবা শহিদুল ইসলাম সুজন তাকে তার স্বামী রনিকে তালাক দেওয়ার জন্য জোর করতে থাকে এ জন্য যে তাদের বিয়ের দেনমোহর ৫ লক্ষ টাকা করাছিলো।
পরে সে টাকা নিয়ে তাকে অন্যত্রে বিয়ের জন্য ফোর্স করছিলো। তিনি রাজি না হওয়াই প্রথমে তারা তার এসএসসি এডমিট কার্ড ছিড়ে ফেলে। এতেও রাজি নাহলে তারা তার উপর অমানষিক নির্জাতন শুরু করে ও ফাকা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। তারপর একপর্যায়ে তার মা ও সৎ বাবা মিলে তার পেটেও লাথি মারে। এমতবস্থায় তার রক্তক্ষরণ শুরু হলে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসক জানান যে, তার পেটের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি হাসপাতালে তিনদিন চিকিৎসা নেওয়ারপর বাড়ি আসেন বলে জানান।
এর পর রাজশাহীর পুঠিয়া আমলী আদলতে তার মা ও সৎ বাবার বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করেন। মামলার নোটিস পাওয়ার পর থেকে আমার মা আমাকে ও আমার স্বামীর পরিবারকে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। কখনো ভাড়াটে লোক পাঠাচ্ছে আমার শ্বশুরবাড়ীতে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। তা না হলে আমাদের সবার ক্ষতি সাধন করার ও হুমকি দিচ্ছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন তাদের এলাকার সাধারণ মানুষকেও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মিমাংসা করার জন্য বার বার বলছে। এতে করে সবাই মিলে বসে মামলা মিমাংসা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে, তার মা তার চিকিৎসা বাবদ ২০ হাজার টাকা মামলা তুলে নেওয়ারজন্য ২৬ হাজার টাকা ও তার বাচ্চা নষ্ট হওয়া বাবদ ২ লক্ষ টাকা দেবে বলে জানান তিনি।
এ সব কথা তার এলাকাবাসী উজ্জল,পলাশ ও মুনের সাথে এ নিয়ে মোবাইল ফোনে তার মায়ের সাথে কথা হয় । কিন্তু তার মা ফোনের এ সব কথা রের্কড করে এডিট করে উল্টো যারা মিমাংসা করার জন্য কথা বলেছিলো তাদের বিরুদ্ধে নগরীর কাশিয়াডাঙা থানায় চাদাবাজীর মামলা দায়ের করে তাদের ও হয়রানী করছে। এমতবস্থায় তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করেন। তাদের জীবনের নিরাপত্তা ও সুবিচার পাওয়ার জন্য প্রসাশনের নিকট আবেদন জানান।