নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বিএনপি রাজশাহী মহানগরের সাবেক আহ্বায়ক বিশিষ্ট আইনজীবী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রোববার তাদের এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। সেইসাথে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। শুধু দলীয় জনগণ নয় সাধারণ জনগণও তাঁকে অভিনন্দন জানান। সেইসাথে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় দৈনিক বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর হয়েছে। অভিনন্দন বার্তায় সম্পাদকসহ সকল স্টাফ, সাংবাদিক ও কলাকুশলীগণ বলেন, তিনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী। এছাড়াও বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বিএনপির সকল বিপদে পাশে থেকে কান্ডারী হয়ে কাজ করেছেন। এছাড়াও মৃতপ্রায় দৈনিক বার্তা পত্রিকার হাল ধরে পত্রিকাকে বর্তমানে সম্মুখপানে নিয়ে এসেছেন। দৈনিক বার্তা পরিবার তাঁর উত্তোত্তর সাফল্য কামনা করেন সবাই।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা বলেন, তারেক রহমান যে গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে প্রদান করেছেন তা তিনি সঠিকভাবে পালন করবেন। সেইসাথে মন্ত্রী, এমপি, দলীয় নেতৃবৃন্দসহ পুরো রাজশাহীবাসীকে সাথে নিয়ে রাজশাহী উন্নয়ন করবেন। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সেইসাথে সঠিকভাবে এই দায়িত্ব পালনের জন্য মহান রাব্বুলআলামিনের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি।
এদিকে রাজশাহীসহ দেশের বিয়াল্লিশটি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এরা হলেন পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় আবু বক্কর সিদ্দিক, নাটোরে রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ.কে.এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ.কে.এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়াী সিরাজুল ইসলাম , কুমিল্লা মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।