নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘মুজিব বর্ষে পুলিশ নীতি, জনসেবা আর সম্প্রীতি’ এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশ নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পুলিশিং ডে পালন করে। রাজশাহীর বানেশ্বর সরকারী কলেজ মাঠে রাজশাহী জেলা পুলিশের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপূর্বে র্যালি করেন তারা । র্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) জয়দেব কুমার ভদ্র, বিপিএম। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন, বিপিএম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বানেশ্বর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ একরামুল হক, পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হীরা বাচ্চু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাওয়ারদী হোসেন। এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান সদস্য এবং পুশিরে অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, পুলিশ এখন জনগণের বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্যরা জনগণকে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। পুলিশের তৎপরতায় সমাজ থেকে মাদকদ্রব্য অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। সেইসাথে সন্ত্রাস, মৌলবাদ, খুন ও ডাকাতীসহ নানা ধরনের অপরাধ কমে এসেছে। জনগণ নিশ্চিন্তে চলাচল করতে পারছে। এই সাফল্যে কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকাও অনস্বীকার্য বলে বক্তব্যে উল্লেখ্য করেন তিনি।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব সারদীয় দূর্গাপুজায় একটি বিশেষ মহলের উস্কানীতে একটি মন্দিরে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ রাখাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন জেলা ও স্থানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়। মন্দির ও তাদের দেবতাকে ভাঙ্গা হয়। কোন কোনস্থানে বাড়ি ঘরে আগুন দেয়া হয়।

কিন্তু রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এর নির্দেশনায় এবং বিচক্ষণতায় রাজশাহী অঞ্চলে এর কোন প্রকার প্রভাব ফেলতে দেয়া হয়নি। সোনাতন ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের সারদীয় দূর্গোৎসব পালন করেছেন। আগামীতেও রাজশাহীতে এই সম্প্রীতির ধারা এবং যেকোন ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর থাকবে এবং কমিউনিঢি পুলিশিং এই কাজে সর্বাত্বক সহযোগিতা করবেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধান অতিথি।