নিজস্ব প্রতিবেদক: গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ‘সবুজ পল্লবে স্মৃতি অম্লান’ এই স্লোগানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে রোববার বেলা ১১টা দিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পাশে ফাঁকা স্থানে নানা ধরনের বৃক্ষরোপন করা হয়।
বৃক্ষরোপন কর্মসূচীতে প্রদান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা।
উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শরফুজ্জামান শামীম, সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম আশরাফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সিহাব, শাওন, রানা, রেকাত, সৈকত, ফিরোজ, জুবায়ের ও আল আমিন সদস্য রুপক ও বাবু, বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম, বোয়ালিয়া থানার (পূর্ব) আহ্বায়ক অপু, রাজপাড়া থানার আহ্বায়ক ডাবলু, শাহ্ মুখদুম থানার আহ্বায়ক সাজু ও মতিয়ার থানা (দক্ষিণ) আহ্বায়ক সুমন, চন্দ্রিমা থানার আহ্বায়ক মুনু ও কাশিয়াডাঙ্গা থানার আহ্বায়ক রমজান।
আরো উপস্থিত ছিলেন বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) সদস্য শিবু, পর্বের সদস্য সচিব পলাশ, রাজপাড়া থানা সদস্য সচিব টিটু, শামুখদুম থানার সদস্য সচিব মিজান, মতিহার থানা সদস্য সচিব লিটন, চন্দ্রিমা থানার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ ও কাশিয়া ডাঙ্গা থানার সদস্য সচিব মুরাদ, তাঁতি দলের সভাপতী কাজল ও সাধারণ সম্পাদক মিলসহ মহানগর, থানা ও সকল ওয়ার্ডের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে বনের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। দেশে তথাকথিত উন্নয়নের নামে অযাচিতভাবে গাছ কাটা হয়েছে। পতিত সরকার এভাবে দেশকে বৃক্ষ শূন্য করে ফেলেছে। কিন্তু বিএনপি বরাবরই বৃক্ষরোপন করে আসছে। ক্ষমতায় থাকাকালিন সময়েই ব্যাপকভাবে দেশ বৃক্ষোরোপন করেছিলেন। ক্ষমতায় না থাকতেও তারা এই কর্মসূচী চলমান রেখেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তখন তিনি শুধু দেশে নয় বিদেশেও বৃক্ষরোপন করেছিলেন। তার জলন্ত উদারণ হচ্ছে সৌদি আারব। তিনি সে সময়ে ঐখানে প্রচুর পরিমানে নিম গাছ রোপন করেছিলেন। সেগুলো এখানো রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাজশাহীতেও তথাকথিত উন্নয়নের নামে যত্রযত্র গাছ কাটা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় বড় গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। এর ফলে রাজশাহী উপ্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে এবং গ্রীণ সিটির তকমা ধওে রাখতে প্রচুর পরিমানে গাছ রোপন করার আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে প্রতিটি বাড়ির পাশে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিত্যাক্ত জায়গায় বৃক্ষরোপন করার পরামর্শ দেন তিনি।