নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহর এডিপি এর আয়োজনে বুধবার বিকেলে নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে গাছের চারা ও ছাতা বিতরণ করা হয়। নয়শতজন শিশুর হাতে সাতটি করে মোট ছয় হাজার তিনশত চারা বিতরণ করা হয়। এই চারার মধ্যে ছিলো হিম সাগর আমের ২টি, কাগজী লেবুর ২টি, কাজী পেয়ারার ২টি, থাই জাম্বুরা ১টি ও ছাতা মোট এক হাজার আটশতটি। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন মানবসম্পদ ব্যাবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেন উপস্থিত থেকে এই চারা বিতরণ করা করেন।
মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী এডিপির সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মইনুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী এডিপির সিনিয়র প্রোগাম অফিসার নীলু বেগমসহ রাজশাহী এডিপির অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ।
সভাপতি তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ২০৩৭ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরে তারা কাজ করবেন। আজ যেভাবে গাছের চারা ও ছাতা বিতরণ করা হলো, পর্যায়ক্রমে মহানগরীর প্রতিটি বিদ্যালয়ে এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কার্যক্রম সমুহ তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গাছ প্রাণিকুলের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করে। আর মানবকুলের জন্য গাছ অপরিহার্য বিষয়। কারণ গাছ অক্সিজেন ছাড়ে আর কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহন করে। এই অক্সিজেন গ্রহন করে মানুষ বেঁচে থাকে। শুধু তাইনয় গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। যে এলাকায় যত বেশী গাছ রয়েছে সেখানে বৃষ্টির সংখ্যাও বেশী হয়। এই রাজশাহী শহর আগে সবুজে ভরা ছিলো। কিন্তু বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজ করতে যেয়ে শতবর্ষীসহ ছোট বড় অনেক গাছ কাটা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শুধু রাজশাহী নয় সারাদেশেই এমন চিত্র দেখা যায়। এজন্য দেশে সবুজায়ন করতে সরকার পঁচিশ কোটি গাছের চারা রোপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গুলোও এর সহভাগিতা করছে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করায় ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বক্তব্য শেষে তিনি উপস্থিত অতিথি ও আয়োজকদের নিয়ে এই গাছের চারা ও ছাতা বিতরণ করেন।