নিজস্ব প্রতিবেদক: শহীদ জিয়া পরিবারের প্রতি অবমাননা, কটুক্তি ও পল্টনে বোমা হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগর সাবেক বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুুষ্ঠিত হয়। রোববার রাজশাহী মহানগরীর বাটার মোড়ে চারটি থানার নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচীতে সভাপত্বি করেন রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শওকত আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আনসার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন শাহ্ মখ্দুম থানা বিএনপি, সাবেক সভাপতি মাসুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, ও রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা মোজাদ্দেদ জামানী সুমন ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা জাকির হোসেন রিমন।
আরো উপস্থিত ছিলেন বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার, ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শুকুর আলী, ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাজী শহীদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, যুবদল রাজশাহী মহানগরের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বকুল, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল হক হারু,বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন বাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক বাধন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন, মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, মহানগর কৃষক দলের সাবেক সদস্য সচিব গোলাম সাকলায়েন ইকো, মহানগর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জাকের আলি শান্তি, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, শাহ্ মখ্দুম থানা ছাত্রদলের সভাপতি ডলার ও সাধারণ সম্পাদক মৃদুলসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, শুক্রবার শুক্রবার সাতদিন বয়স হয়নি একটি দলের। যারা রাজনীতি সম্পর্কে কিছু জানেনা। এখনো লেখাপাড়া শেষ করতে পারেনি, ঐ দলের নেতারা বাংলার রাখাল রাজা, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বেগম জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ন বক্তব্য প্রদান করছে। বিএনপি এটা কখনো মেনে নেবেনা। এই বক্তব্যেও জন্য ক্ষমা না চাইলে আগামীতে এনসিপির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
বক্তার আরো বলেন, রাজনীতি অত সহজ নয়। বিএনপি জন্মলগ্ন থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নেতাকর্মীরা জেল, জুলুমের স্বীকার হয়েছে। এখনো হচ্ছে। সেইসাথে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পতিত সরকার খুন ও গুম করেছে। লক্ষ লক্ষ মামলা হয়েছে। পুলিশি নির্যাতনের ভয়ে বাড়িতে ঘুমাতে পারেননি। আর যে দলের প্রতিষ্ঠাতা একজন বীরউত্তম এবং স্বাধীনতার ঘোষক ও সম্মুখ মুক্তিযোদ্ধা তাঁকে নিয়ে এমন মন্তব্য ও এমন ন্যাক্কারজন কাজ বিএনপি কখনই মানবেনা বলে হুঁশিয়ারী দেন তারা।

তারা আরো বলেন, ঐসকল ভূইফোর দলগুলো নির্বাচন পেছানো নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। কারন তারা জানে নির্বাচন হয়ে গেলে একটি আসনও তারা পাবেনা। আর এখনকার মত আগামীতে পুলিশ ও আর্মি প্রোকেশনে সমাবেশও করতে পারবেনা। সেইসাথে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজীও করতে পারবেনা। তারা ফেব্রুয়ারীর মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেয়ার দাবী জানান।
বক্তব্য শেষে নেতাকর্মীরা বাটার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সোনাদিঘির মোড় হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলুপট্টি যেয়ে শেষ করেন। সেখানে সভাপতির বক্তব্যেও মধ্যে দিয়ে কর্মসূছী শেষ হয়। সবশেষে জুলাই-আগস্টে শহীদ এবং বিএনপি পরিবারের নিহত সকল ব্যক্তি এবং সকল মৃত মুসলিম ব্যক্তির রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।