মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

রাজশাহীতে বেড়েছে শব্দের মাত্রা

  • প্রকাশ সময় বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৫৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের শব্দ দূষণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন এলাকাকে পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা, মিশ্র এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা এবং শিল্প এলাকা। বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে, বারিন্দ এনভায়রনমেন্ট এর সহযোগিতায় পরিবেশ বান্ধব শহর রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিনে ও রাতে শব্দের ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়।

তালাইমারী মোড়, রেইলগেট, বিসিক মঠ পুকুর, লক্ষিপুর মোড় ও সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট হতে শব্দের ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়। এর মধ্যে তালাইমারী মোড় নীরব এলাকার মধ্যে, রেইলগেট, লক্ষিপুর মোড় ও সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে এবং বিসিক মঠ পুকুর শিল্প এলাকার মধ্যে পরে।

শব্দের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইকবাল মতিন। পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান (পি.এইচ.ডি.)। এ কাজে সহযোগিতা করেন অলি আহমেদ (পি.এইচ.ডি. গবেষক), শেখ ফয়সাল আহমেদ, ওবায়দুল্লাহ, শামসুর রাহমান, শরীফ, তারেক ও আজিজ।
বিগত সময় গুলোতে দেখা যায় রাজশাহী শহরে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েই চলেছে এবং বর্তমানে তা প্রায় ২% এর নিকটে। শব্দের ঘনমাত্রা নির্ণয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল বর্তমানে জনবহুল শহরের শব্দের ঘনমাত্রা পর্যবেক্ষণ। কারণ মাত্রারিক্ত শব্দের জন্য মানুষের শ্রবণ শক্তি হ্রাস পায়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, ঘুম অনিয়মিত হয়, রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়, হার্টের ক্ষতি করে, এমন কি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও হ্রাস করতে পারে।

এস আর ও নং ২১২-আইন ২০০৬ অনুযায়ী নীরব এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৫০ ও ৪০ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭০ ও ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭৫ ও ৭০ ডেসিবেল। রাজশাহী শহরে নীরব এলাকায় (রুয়েট এর নিকটে) দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৮৪ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৮৮ থেকে ৯০ ডেসিবেলের মধ্যে।

শিল্প এলাকায় দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৭৪ ডেসিবেল। প্রাপ্ত মান গুলো থেকে দেখা যায়, রাজশাহীরর শিল্প এলাকা ছাড়া অন্য সব জায়গায় নির্ধারিত শব্দের ঘনমাত্রা অতিক্রম করেছে। পরিবেশ বান্ধব শহরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত। যত্রতত্র হর্ন না বাজানোর জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। নির্মাণ কাজে শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। শিশুরা শব্দ দূষণে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। শব্দ দূষণের প্রভাব শুধু মানুষের উপর না, প্রতিটি পশু-পাখির উপর পরে।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin