নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার নারায়নগঞ্জে বৃহস্পতিবার বিএনপি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের লক্ষে নারায়নগঞ্জ শহরের চুনকা পাঠাগার থেকে মিছিল করার প্রস্তুতির সময় পুলিশ এসে বাধা দেয়। পরে সেখান থেকে চলে আসার সময়ে শহরের ২নং রেল গেটের কাছে এলে পুলিশ ফের বাধা দেয় ও লাঠিচার্জ করে। পরে তারা নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
এসময় যুবদল নেতা শাওন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। শাওনের বাড়ি ফতুল্লার এনায়েতনগরে। শাওনের জানাযায় পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহন করতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সারা দেশে শুক্রবার বাদ জুম্মা শাওনের গায়েবী জানাযা করে বিএনপি। এতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শুক্রবার বাদ জুম্মা রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আয়োজনে নগরীর সোনাদিগীর মোড়ে সিটি সেন্টারে অস্থায়ী মসজিদে গায়েবী জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা জানাযা পড়ান।
জানাযায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা, যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়ালিউল হক রানা, শফিকুল ইসলাম শাফিক, বজলুল হক মন্টু, সদস্য রায়হান, রাজশাহী মহনাগর যুবদলের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিন আহম্মেদসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
জানাযা শেষে ঈশা বলেন, বিভিন্ন মিডায়ায় প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন ‘সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে শতাধিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আর ‘নিহত শাওন সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী। এখনও সেখানে যুবদলের কমিটি হয়নি। কমিটি হলে ভালো পদ পাওয়ার সম্ভাবনা ছিলো। শাওন দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছেন। তিনি ৩নং ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকার বাসিন্দা। সংঘর্ষের ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান ঈশা।