রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩ আরডিএ এর ১৫৭ দোকান গায়েব করে বানিয়েছেন সুবিশাল ফার্নিচার শোরুম শফিকুল আউয়াল খান রাজশাহীতে জিয়া মঞ্চের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত মালিক-শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ কেশরহাট পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করা হবে: এমপি মিলন রাজশাহীতে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন রাজশাহী আরডিএ পার্কের পুকুরে মাছ অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপর করেন আরডিএ চেয়ারম্যান

রাজশাহীর পবায় দামকুড়া হাটে মাসাউস’র সামাজিক সম্প্রীতি দিবস পালন

  • প্রকাশ সময় সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২
  • ৬৫৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:‘ এক সাথে যদি থাকা যায় এর চেয়ে আনন্দ আর নাই’ এই স্লোগান নিয়ে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মাসাউস এর আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি দিবস উদ্যাপিত হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহীর পবার দামকুড়া হাট গরুর হাট মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেনোনাইট সেন্ট্রাল কমিটি বাংলাদেশের (এমসিসি) সহযোগিতায় সভায় সভাপতিত্ব করেন মাসাউস এর নির্বাহী পরিচালক মেরিনা হাঁসদা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমসিসি এর পিচ কো-অর্ডিনেটর বিলন রুগা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কোর্ট মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু ইউসুফ, রাজশাহী পলিটেকনিক্যাল এর শিক্ষক আহম্মদ ইবনে আজাদ, সিস্টার সেলিন রাঁড়ই ও সিএমএস সংস্থার ইউনিট ইনচার্জ ইসমত আরা নয়ন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাসাউস সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম

সভাপতির বক্তব্যে মেরিনা হাঁসদা বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক একটি দেশ। সকল ধর্মের মানুষ এক সাথে বসবাস করেন। একে অপরের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন। সেইসাথে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সকলেই একসাথে পালন করেন। শুধু তাই নয় ধর্মপালনে ও সংস্কৃতি উদযাপনে একে অপরকে সহযোগিতা করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, পূর্বে মানুষের মধ্যে সম্পর্কটা গাঢ় ছিলো। সামাজিক শৃংখল এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় ছিলো। আচার অনুষ্ঠান এমনকি পিঠা পায়েশও এক সাথে মিলে মিশে উৎসব করে বছরে অন্তত একবার হলেও খেতেন। কিন্তু এখন সেগুলো আর দেখা যাচ্ছেনা। মানুষ এখন আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসার আহবান জানান তিনি।


বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানে আগত সকল ধর্মের অতিথিবৃন্দদের আনয়নকৃত পিঠা, পায়েশ ও অন্যান্য খাবারগুলো একসাথে সবাই খান। শেষে সবার অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin