সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পবা ইউএনও এর উদ্যোগে দীর্ঘ ২২ বছরের দুর্ভোগ কাটল এক দিনে নগর উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে: সুইট রাজশাহী বার এসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের তার চুরি, ভোগান্তিতে আইনজীবী ও সেবা গ্রহিতারা রাজশাহীতে এডভোকেট খোরশেদ আলম এর মৃত্যুতে ফুলকোর্ট রেভারেন্স রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন বেকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা বরেন্দ্রের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিএমডিএ নির্বাহী পরিচালক এর মতবিনিময় রাজশাহীর ক্রীড়া গৌরব পুনরুদ্ধারে বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একজন মমতাময়ী মায়ের মূর্ত প্রতীক: ভূমিমন্ত্রী মিনু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ, রাজশাহীতে দৈনিক এদিনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন: এমপি মিলন রাজশাহীতে থানার সামনে বিক্ষোভ, ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

রামেক হাসপাতালে টাকা ছাড়া চলেনা ট্রলি, এখনো রিজার্ভ রয়েছে কর্মচারী বেড

  • প্রকাশ সময় শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭৭ বার দেখা হয়েছে
filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: SFHDR; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 117.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাজশাহী বিভাগের জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার শহর ও গ্রাম থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগিরা আসেন চিকিৎসা নিতে। হাসপাতালে ধারন ক্ষমতার চেয়ে দুই থেকে তিনগুন রোগি এখানে চিকিৎসা সেবা নেয়। এই চিকিৎসা সেবা নিতে এসেই শুরুতে রোগি ও তার স্বজনরা পরেন বিড়ম্বনায়। রোগিকে যানবাহন থেকে নামনোর পরে ট্রলিতে করে ভর্তি ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে গুনতে হয় ১০০-২০০টাকা। এটা হচ্ছে ট্রলিম্যানদের প্রাপ্য। এই টাকা না দিলে সেখানেই রোগির লোকজনদের সাথে তারা অসভনীয় আচরণ ও বাজে কথা বলেন।

একজন ট্রলিম্যানকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন এটা তাদের রেট। অথচ মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে এই সকল ডেইলি লেবারদের মাসিক একটা বেতন দিয়ে থাকে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬নং ওয়ার্ডে রোগির আত্মীয় আকবর হোসেন, নাজমুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, ইসাহাক ও আনোয়ারা বেগসমসহ আরো অনেকে বলেন, তাদের রোগির জন্য ট্রলিম্যানদের ১০০টাকা করে দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে নরেনা ট্রলি। পাওয়ানাদারের মত দাঁড়িয়ে থাকে রোগি নামিয়ে দিয়ে। পরে দিতে চাইলে ক্ষেপে ওঠেন তারা। যেন এটা তাদের প্রাপ্য। একদিকে রোগির অবস্থা নিয়ে প্রতিজন অভিভাবক বা আত্মীস্বজন থাকেন মারাত্বক টেনশনে। তারপর আবার ট্রলিম্যানদের জ¦ালা। সেইসাথে রয়েছে ওষুধ ক্রয়ের টেনশন। মেডিকেল থেকে তেমন কোন ওষুধ এখন আর পাওয়া যায়না বলে জানান তারা।

এদিকে বুলবুলি খাতুন নামে আরেক রোগির স্বজন বলেন, ১৬নং ওয়ার্ডে রয়েছে কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত একটি বেড। এই বেডে কর্মচারী না থাকলেও তাদের জন্য রিজার্ভ রাখতে হবে। মানে ভাবটা এমন তারা হচ্ছেন নবাব জাদা। আর এখানে যে রোগিই আসুক তারা হচ্ছেন ফকির শ্রেণি। এই বেডে রোগি উঠালে মিনিটে মিনিটে স্টাফদের চোখ রাঙ্গানী দেখতে হয়। যেন আমরা ভীন কোন গ্রহ থেকে এসেছি। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে এক সময় জাতীর বীর সন্তান বীর মুুক্তিযোদ্ধাদের নামে বেড বরাদ্দ ছিলো। এখন তা আর নাই। অথচ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারীদের জন্য বেড বরাদ্দ রয়েছে। এগুলো বাতিল করার জন্য দাবী জানান তিনিসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগির স্বজনরা।

আরেক রোগির স্বজন কলেজ পড়ুয়া ছাত্র আবু কাউসার শহিদ বলেন, ছাত্ররা সকল কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবীতে দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন করে আসছিলো। সেই আন্দোলন ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে চরম আকার ধারন করে। এই আন্দোলনে শুধু কোটা পদ্ধতি বাতিল নয়, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করে ছাত্র-জনতা। এসময়ে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা নিহত ও আহত হন এবং অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এত কিছুর পরেও এখনো কোটা থাকবে এটা ভাবা যায়না। তিনি কর্মচারীদের জন্য বেড রিজার্ভ করা বন্ধ এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনিয়মগুলো দ্রুত সমাধানের দাবী করেন।

 

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin