নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর মতিহার থানাধীন চর শ্যামপুর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন কাটাখালি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও অত্র ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক(৫৫)। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কাউন্সিলরের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তার বাড়ির লোকজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এ ঘটনায় মতিহার থানায় কাউন্সিলরের ছেলে নাসির বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলেন, আরমানের ছেলে রিমন(২৫), মৃত আরমান ছেলে বিজয় (২১), নজরুলের ছেলে রতন(২৪) শাহিন এর সজীব (২০) ও অনিক এর শান্ত (২২)। তাদের সবার বাড়ি চরশ্যামপুর বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে আরো জানা যায়, আসামি রিমন তার স্ত্রীকে মারপিট করে। এ ঘটনায় বিচারের জন্য রিমনের স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে নালিশ করতে কাউন্সিলর এনামুল হকের বাড়িতে যান। নালিশ করতে দেখে কাউন্সিলরের সামনেই রিমন আবারো তার স্ত্রীকে মারপিট করে। অবস্থা বেগতিক দেখে কাউন্সিলর তাৎক্ষণিক আপস-মীমাংসা করে দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু রিমন তা মেনে নিতে না পেরে তার দলবলসহ অতর্কিতভাবে কাউন্সিলরের বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে তাঁর উপরে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
এ সময় আসামীরা দেশী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাউন্সিলরকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে। কাউন্সিলর বাম হাত দিয়ে প্রতিরোধ করে প্রাণে বেঁচে যান। অস্ত্রের আঘাতে তাঁর বাম হাতের কোনুই এর নিচে কেটে জখম হয়। এ বিষয়ে কাউন্সিলর বলেন, সন্ত্রাসীরা জামাত শিবিরের সক্রিয় ক্যাডার। তাদের নামে একাধিক মামলাও রয়েছে। কেন তারা তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো তা তিনি জানে না বলে জানান।

এ বিষয়ে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার আলী তুহিন বলেন, কাউন্সিলর এনামুল হকের উপর হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে হামলাকারীদের মধ্যে বিজয় ও সজীব নামের দুই জন আসামিকে আটক করে হত্যা চেষ্টা মামলায় আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা।