নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে এলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার পূর্বে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ আগত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মিলে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
পরে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরুল্লাহ, এনডিসি। রাজশাহী বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার (সার্বিক) জিয়াউল হক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(রাজস্ব) আবু তাহের মো: মাসুদ রানা, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক ড. কামাল হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক এনামুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ শরিফুল হক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারিয়া পেরেরাসহ বিভাগীয় কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন এবং শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ এখন অন্যান্য দেশের থেকে ভাল অবস্থায় আছে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন না করলে সাহসী হওয়া যায়না। তিনি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর সেই ছোট বেলার নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের কথা তুলে ধরে বলেন, তিনি প্রতিযোগিতা করতেন বলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী হতে পেরেছেন। তিনি প্রতিযোগিতা করতেন বলে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলার জনগণকে উপহার দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন ৭মার্চের ভাষন বাঙ্গালীকে উজ্জীবিত করেছিলো। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাবার ন্যায় প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করেন বলে দেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ এখন অনেক উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। করোনা ভ্যাকসিন প্রদানে বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। অথচ অনেক উন্নত দেশও বাংলাদেশের সাথে পারেনি বলে জানান। শুধু পুথিগত বিদ্যা নয়। আগামীর কর্ণধারদের নিজস্ব প্রতিভা বিকাশে অভিভাবকদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রধান অতিথি।
বক্তব্য শেষে তিনি ও বিশেষ অতিথিৃবন্দ মিলে সঙ্গীত (মুক্তিযুদ্ধের গান), নৃত্য ( বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ), কুইজ ( স্বাধীনতা), রচনা (বিশ্বনেতা শেখ মুজিব) ও চিত্রাংকন (স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা) এই পাঁচটি প্রতিযোগিতায় মোট ৩৬জন বিজয়ীর মধ্যে ক্রেষ্ট, সদনপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। উল্লেখ্য প্রায় পক্ষকালব্যাপি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।