নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শুক্রবার ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়ারত, দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়ার পূর্বে বক্তব্যে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি বলেন, বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃত্বে স্বৈরাচার খুনি হাসিনার পতনের আন্দোলন শুরু হয়। দীর্ঘ সময় আন্দোলন সংগ্রামের ফসল হচ্ছে জুলাই আন্দোলন।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হয়। কোটা সংস্কার দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে তা এক দফায় রুপ নেয়। নানা নাটকীয়তা ও প্রান বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়। এই ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারকে পতন করতে যেয়ে প্রায় দেড় হাজারের অধিক ছাত্র-জনতা শহীদ হন। শুধু তাইনয় গুরুতর আহত হন হাজার হাজার ছাত্র-জনতা। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে সরকার পতনের একদফা আন্দোলন যখন তুঙ্গে সে সময়ে হায়না খুনি হাসিনা আরো বেপরোয়া হয়ে পড়েন। তিনি আন্দোলনকারীদের দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, সরকারের এই দমন, পিড়ন, হত্যা ও অমানষিক নির্যাতন উপেক্ষা করে শেষ মুহুর্তে ৫ আগস্ট দেশব্যাপি লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। সেদিন রাজশাহীও ছিলো বেপরোয়া। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা হাসিনা পতনের জন্য রাস্তায় নামে। দুপুরের দিকে রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী থেকে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টের দিকে আন্দোলনকারী মিছিল নিয়ে আসার সময় হাসিনার পুলিশ লীগ ও দলীয় সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে গুলি চবর্ষন করে। সেইসাথে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনকারীদের উপরে হামলা চালায়। সেদিন গুলিতে শহীদ হন সাকিব আনজুম ও মিনারুল এবং আহত হন অনেকে। দুপুরের দিকে জনস্রেতি সামাল দিকে না পেরে বিশেষ ফ্লাইটে করে হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে চলে যান। শেষ হয় আধিপত্যবাদী স্বৈরাচার খুনি হাসিনা সরকারের অধ্যায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার, বাদ জুম্মা রাজশাহীর টিকাপাড়া কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাকিব আনজুম ও মিনারুল সহ সকল জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া করা হয়। এসময়ে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।