নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনোয়ার সাদাত ও পৌরযুবলীগের আহ্বায়ক জনির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, নিয়ম মেনে কাটাখালী পৌরসভার বালুর ঘাটের টোল আদায়ের ইজারা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন ভারপ্রাপ্ত মেয়র। তিনি চেয়েছিলেন ইজারা না দিয়ে ঐ ঘাটে ট্রাকের টাকাগুলো হরিলুট করতে। গত বছর আড়াই কোটি টাকায় টোল আদায়ের ইজারা দিয়ে ৭০ লাখ টাকা পরিশোধের পর বাকি টাকা আর পরিশোধ করেননি।
তবে পরিষদের সকলে মিলে এবার ঐ ঘাট ইজারার দেয় দেড় কোটি টাকায়। এনিয়ে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনোয়ার সাদাত ও তার দোসর পৌর যুবলীগ নেতা জনি ক্ষিপ্ত হন। তিনি বলেন, গত ১৮ মে রাত্রি আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে তিনি শাহ্ মখ্দুম রুপোশ(রাঃ) মাজার জিয়ারত শেষে মোটর সাইকেল করে বাড়ি ফেরার পথে ধান গবেষণা কেন্দ্রের সামনের সড়কে আসলে পূর্ব থেকে ওঁত পেতে থাকা খুনীরা মোটরসাইকেলে করে পাঁচ জনের মধ্যে চলন্ত অবস্থায় হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর ওপর দুইজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। আর বাকীরা পিছলে ঠিলো বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এতে তাঁর ডান পাশে জখম হয়। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে ২২ মে অজ্ঞাতনামা ৫ জনকে আসামী করে মতিহার থানায় মামলা করেন তিনি। কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, এই আক্রমণের সাথে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনোয়ার সাদাত ও পৌর যুবলীগ নেতা জনি সরাসরি জড়িত। তিনি এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।
অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনোয়ার সাদাতের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পৌরযুবলীগ নেতা জনি বলেন,র্ কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমান ছুরিকাহত হওয়ার পর তার সাথে কথা বলেন। তারা সবাই তাকে সহযোগীতা করি। তিনি মামলার এজাহার আমাকে দেখিয়েছেন। অথচ এখন কী এমন হলো জানা নাই। তবে আমি আগামী কাটাখালী পৌরনির্বাচনে অংশ নিতে চাই। এ কারণে একটি পক্ষ হয়তো এর পেছনে কাজ করছে যারা তাকে নির্বাচন করতে দিতে চায় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হোসনেয়ারা বেগম, চাঁদনী বেগম ও আয়েশা আকতার, কাউন্সিলর লতিফুল কবীর, সিরাজুল ইসলাম, মঞ্জুর রহমান, ইয়াছিন মোল্লা, বোরহান উদ্দীন রাব্বানী, আব্দুল মজিদ ও এনামুল হক।