নিজস্ব প্রতিবেদক: শুক্রবার ছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ লক্ষে রাজশাহী জেলা ও মহানগর তাঁতী দলের আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগরের মালোপাড়াস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন তাঁতীদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি।
তাঁতী দল রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন বাদশার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহিন শওকত খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিএনপি রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউল হক রানা ও বিএনপি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন।
এছাড়াও মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন ও লিটন, জেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, সদস্য মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান জিয়া, মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান ও শামীউল ইসলাম অভি, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি ও রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহম্মেদ রাহীসহ তাঁতীদল বিভিন্ন থানা, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাঁত শিল্প আজকে অনেকটাই নিস্কৃয় হয়ে পড়েছে। একদিকে বিশ^বাজারে তাঁত শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের চাহিদায় মন্দা, অন্য দিকে তাঁত শিল্পের উপকরণের ব্যাপক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই শিল্প বিলুপ্তির পথে। এই ফ্যাসিস্ট সরকার এই শিল্পকে বাঁচাতে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশের প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট, বাংলার রাখাল রাজা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই শিল্পকে বাঁচিতে রাখতে নানামূখি পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন। তাঁত শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি ভূর্তকী দিয়েছেন। এই ধারা বিগত সময়েও বেগম খালেদা জিয়া করে গেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট শুধু এই শিল্পে ভুর্তকী দেননি। এই শিল্পকে যুগ যুগ বাঁচিয়ে রাখতে তাঁতী দল গঠন করেছিলেন। বর্তমানে দেশ জুরে এই তাঁতী দল তাঁত শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বক্তব্য শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের মৃত নেতাকর্মীসহ মৃত সকল মুসলিম ব্যক্তির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অসুস্থ সকল নেতৃবৃন্দসহ সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।