নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘ গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি’ এই স্লোগান নিয়ে মঙ্গলবার থেকে বিশদিন ব্যাপি রাজশাহীতে শুরু হয়েছে রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলা ২০২৩। রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগের আয়োজনে ও রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের গ্রীন প্লাজায় এই মেলা শুরু হয়েছে। মেলা উপলক্ষে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো হয়। র্যালি ও ফেস্টুৃন উড়ানোর পরে শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন ঘোষনা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।
এ সময়ে তিনি বলেন, একটি দেশের ও এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের কোন বিকল্প নাই। এছাড়াও ক্ষতিকারক নাইট্রোজেন গ্রহন করে আর অক্সিজেন ছেড়ে দিয়ে জীব কুল বাঁজিয়ে রেখেছে। এই গাছ থেকেই মানব সভ্যতার বেঁচে থাকার উপাদান আগুনের সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য বৃক্ষরোপন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ গাছ রোপন করতে সহায়তা করছেন।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহী গ্রীন বা সবুজ সিটি খ্যাতি অর্জন করেছে এই গাছের জন্যই। এই অর্জনের সম্মুখ ও পেছনের মুল কর্ণধার হচ্ছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ রাজশাহী মহানগর এত সুন্দর বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে রাজশাহীবাসীসহ দেশের সকল মানুষকে একটি ফলজ, বনজ ও ওষুধী গাছের চারা রোপন করার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে বৃক্ষরোপনে বিশেষ অবদান রাখায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে বিভিন্ন অংকের চেক বিতরণ করেন। সেইসাথে শিক্ষার্থীদেও মধ্যে ফলজ, বনজ ও ওষুধী গাছের চারা বিতরণ করেন।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বন অঞ্চল বগুড়ার বন সংরক্ষক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক, রাজশাহী রেঞ্জ এর এডিশনাল ডিআইজি নরেশ চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সামাজিক কবন বিভাগ রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান শাহ্। এছাড়াও বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন অফিসের প্রতনিধি, নার্সারী মালিক এবং বৃক্ষপ্রেমি জনগণ উপস্থিত ছিলেন।