নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা বৈষম্য বাতিল থেকে শুরু করে সরকার পতনের এক দফা দাবীতে ছাত্ররা যখন মাঠে নেমেছিলো। ঠিক তখনই পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে পুলিশ নিরাপরাধ শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের উপরে লাঠিচার্জ ও গুলি করে। এতে শত শত শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ নিহত হন। এ থেকেই পুলিশের উপরে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষেরা ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠে। দেশে দ্বিতীয় স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে চলে পুলিশের উপরে হামলা, থানা ও ফাঁড়ি ভাঙ্গচুর, অগ্নি সংযোগ ও লুটপাট করে।
রাজশাহী মহানগর, জেলা পুলিশ সহ সারদাহ পুলিশ এ্যকাডেমির কন্সটেবল থেকে শুরু করে এসআই পর্যন্ত কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে চরম অস্থিরতা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন পুলিশ সদস্যরা। এ নিয়ে পুুলিশ বৈষম্য বিরোধী সমন্বয় কমিটির আয়োজনে বুধবার সকালে ও বিকেলে দুই দফা পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ এ্যকাডেমিতে তারা মিছিল করে। এসময় তারা বিসিএস পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকে। বিকেলে আরএমপির কন্সটেবল মেহেদি হাসান পুলিশ সদস্যদের পক্ষে ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন।
এসময় তিনি দাবি করেন, দেশের জনগণ বর্তমানে পুলিশের বিরুদ্ধে যাবার অন্যতম কারণ পুলিশের কর্মকর্তাদের একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারি হয়ে কাজ করা। বিসিএস পদে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে তাদের পদে পদে চরম বৈষম্যের শিকার হতে হয়। আট ঘন্টার স্থলে অতিরিক্ত ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা অতিক্তি ডিউটি করানো হয়। বিসিএস পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে তাদের পোশাকের মানেও রয়েছে কমতি। আর এসব বৈষম্য তারা দীর্ঘ দিন ধরে সহ্য করে আসছে। সারদা পুলিশ একাডেমীর পুলিশ সুপার প্রশাসন ফারুক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসলে বিক্ষোভ নয়, তারা কিছু কথা বলেছেন।