নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনা তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফরমায়েশি রায় প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিনা কারনে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রানও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দদের আটক করা হয়। ফরমায়েশি রায় এবং ষড়যন্ত্রমূলক সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আটককৃতদের মুক্তির দাবীতে রোববার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম রাজশাহী শাখার আয়োজনে রাজশাহী কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম রাজশাহী শাখার সভাপতি এডভোকেট মাইনুল আহসান পান্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী, রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট রওশন আরা পপি, এডভোকেট রইস উদ্দিন, এডভোকেট ইমতিয়ার মাসুদ আল আমিন ও রাজশাহী মহানগর জাসাস এর আহ্বায়ক এডভোকেট রজব আলীসহ অন্যান্য আইনজীবীগণ।
সভাপতিসহ উপস্থিত আইনজীবীগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, এটা সম্পুর্ন ফরমায়েশি রায়। বাংলাদেশে অনেক বড় বড় মামলা রয়েছে। সেগুলোর চার্জসিট আজ পর্যন্ত আইনশৃংখলাবাহিনী দিতে পারেনি। সাগর রুনির মামলার চার্জসিট দেয়ার তারিখ প্রায় সেঞ্চুরীতে ঠেকেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছেনা। মামলা হলেও বিচার হচ্ছেনা। ব্যাংক থেকে টাকা চুরি বিচারে চলছে গড়িমশি। অথচ দুদক নামের একটি দুর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান সম্পূর্নভাবে তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সেই মামলায় সরকারের নির্দেশে আবার সাজাও প্রদান করা হয়েছে। এই রায় তারা মানেননা। অনতিবিলম্বে এই রায় প্রত্যাহার করার দাবী জানান তারা।
তারা আরো বলেন, সরকার বিএনপি’র আন্দোলন দেখে ভীত হয়ে পড়েছে। ক্ষমতা হারনোর ভয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দদের অযথা আটক করছে। সেইসাথে হয়রানীমুলক মামলা দিয়ে কারাগারে রাখছে। গত ২৮ জুলাই ঢাকার মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের আটক করেছে। এর মধ্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ও মিজানুর রহমান মিজানসহ আরো অনেকে রয়েছেন। প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে তারা সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।