নিজস্ব প্রতিবেদক: বাড়ির সীমানা প্রাচীর দেওয়ার সময় প্রাচীরের বাইরে এক ফুট করে জায়গা রেখেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবদুল জব্বার। প্রায় ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যরে এই জমির ওপর দিয়ে রেখেছিলেন একটি পানি নিষ্কাষণের নালা। এখন তাঁর ঐ নালা ভেঙ্গে প্রতিবেশী ব্যক্তি দখল করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিপাকে পড়ে অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবদুল জব্বার সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শহরের নিউমার্টেক এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। আবদুল জব্বারের বাড়ি নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায়। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আবদুল জব্বার জানান, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুই দফায় ১৯৯৩ ও ১৯৯৭ সালে সপুরা মৌজার তেরখাদিয়া এলাকায় দুই দাগে মোট সাড়ে সাত কাঠা জমি কেনেন। যার আর.এস দাগ নং- যথাক্রমে-৩৬০ ও ৩৫৯, হোল্ডিং ৮৬৭, দলিল অনুযায়ী জমির রকম ভিটা ও ধানী।
বর্তমানে এ জমির ওপরে কাঁচা-পাকা বাড়ি রয়ছে। সেখানে তারা ২৭ বছর ধরে বাস করছেন। বাড়ি করার পরে তিনি সীমানা প্রাচীর দেন। তখন এলাকার লোকজনের পরামর্শে প্রাচীরের বাইরে এক ফুট করে জায়গা রেখে পানি নিষ্কাষণের নালা করেন। কিন্তু প্রায় আট মাস আগে প্রতিবেশী আবু আহমেদ নালাটি ভেঙ্গে ওই জায়গাটি দখল করে নেন।
এ নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে অভিযোগ করেছিলেন জব্বার। কাউন্সিলর তাঁর লোক দিয়ে আমিনের মাধ্যমে জমি মাপজোখ করে বুঝিয়ে দেয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু আজও তা হয়নি। এরমধ্যেই গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে প্রতিবেশী জামিল ও আবু আহমেদ তার সীমানা প্রাচীরের দরজা ভেঙ্গে ফেলেছেন। এ ব্যাপারে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন।
আবদুল জব্বার অভিযোগ করেন, রাজশাহীতে তিনি একা থাকেন। তাই প্রতিবেশী তার জমি দখল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। তিনি এর প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে জামিল বলেন, ‘যে নালার কথা জব্বার বলছেন সেই নালা তারা তৈরি করেছিলেন। কেউ তো প্রাচীরের বাইরে জায়গা রাখেন না। তিনি রাখবেন কেন? তাদের তৈরি করা নালা তারাই ভেঙে ফেলেছেন। আর প্রাচীরের এ পাশে জব্বারের কোন জায়গা নেই। জায়গা না থাকলে তিনি দরজা করে আসবেন কেন? সে জন্য তারা ঐ দরজা ভেঙে দিয়েছেন। সোমবার পুলিশ এসেছিল। পুলিশকে সব বুঝিয়ে বলা হয়েছে বলেন জানান তিনি।