নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী কাল রোববার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজশাহীর বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা অনেকটাই উপ্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় চারটি ভোটকেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহীর বাঘা, বাগমারা ও মোহনপুর উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বাগমারার ভোটকেন্দ্রটি থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছেন পুলিশ।
বাঘার একটি ভোটকেন্দ্রের অফিসকক্ষ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে হতে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন পুলিশ। অন্য তিনটি ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। স্কুল চারটি হলো- বাঘা উপজেলার জুতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আড়ানী ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোহনপুরের মতিহার উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাগমারার আক্কেলপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
মোহনপুরের মতিহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান জানান, তাদের স্কুলটি ভোটকেন্দ্র। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তরা স্কুলের একটি শ্রেণিকক্ষে আগুন দেয়। এতে কয়েকটি বেঞ্চ ও চেয়ার-টেবিল পুড়ে গেছে। শুক্রবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, বাগমারার আক্কেলপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ভোটকেন্দ্রের সামনে দুটি অবিস্ফোরিত তাজা ককটেল পাওয়া গেছে।

এদিকে বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার জুতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের পরিত্যাক্ত ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এটি মূল ভোটকেন্দ্রের বাইরের অংশ। এই আগুনের ফলে ভোট কেন্দ্রের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এছাড়া আড়ানী ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষকের অফিসে আগুন লেগেছে। এতে কিছু বই ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যতিক শর্ট সার্কিটের কারণে স্কুলে আগুন লেগেছে। তদন্তের পর নিশ্চিত করে বলা যাবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোন স্কুলে কীভাবে আগুন লেগেছে তার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।