নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বস্তি উন্নয়ন করার লক্ষে কারিতাস বাংলাদেশ রাজশাহীর উদ্যোগে ডায়লগ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কমিউনিটি সোস্যাল ল্যাব: এন ইনিশিয়েটিভ টু ইমপ্রুভ দি লিভিং কন্ডিশনস অব ভালনারেবল স্লাম রেসিডেন্টস আন্ডার দি আরবান ম্যানেজমেন্ট অব ইন্টারনাল মাইগ্রেশন ডিউ টু ক্লাইমেটচেঞ্জ, আরবান ম্যানেজমেন্ট অব মাইগ্রেশন এন্ড লাইভলিহুড প্রকল্পের মাধ্যমে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ডায়লগ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
নগরীর মহিষবাথানস্থ কারিতাস আঞ্চলিক অফিসের ফাদার চেস্তাকো হল রুমে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কোর কমিটির সভাপতি রাসিক ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান কামরু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিতাস অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ডেভিড হেম্ব্রম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোন-২এর নয়া কাউন্সিলর শিউলী বেগম, সদস্য ও নগর পরিকল্পনাবিদ বনি আহসান, তানজির হোসেন দুলাল ও সদস্য সাংবাদিক ফজলুল করিম বাবলু।
এছাড়াও কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের টেকনিক্যাল অফিসার সামসুল হক ও কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের সোস্যাল ল্যাব প্রকল্পের কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর আনন্দ রবিদাসসহ কোর কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং ৫নং ওয়ার্ডেও সকল ভলান্টিয়ারগণ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় গত সভার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় সভাপতি বলেন, আগামীতে ৫নং ওয়ার্ডের স্লাম এরিয়ায় ডাস্টবিন এর ব্যবস্থা করা হবে। আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ রাস্তার কাজ শুরু হবে। সেইসাথে বয়স্কভাতা চুড়ান্ত হয়ে গেছে। আগামী মাস হতে প্রদান শুরু হবে। শুধু তাই নয় সরকারী নিয়ামানুযায়ী মাতত্বকালীন ভাতা প্রদান শুরু করা হবে বলে জানান তিনি। প্রতি মাসে ৫জন করে ভাতা পাবেন। তারা প্রতিজন মোট ৩৬,০০০টাকা পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বস্তি এলাকায় পানির সমস্যা এই সোস্যাল ল্যাব এর মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। গোড়া বাঁধানো ও প্লাট ফরমের কাজ দ্রুত সময়ে শুরু হবে। এছাড়াও স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা তৈরীর কাজও হাতে নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ভিক্ষুক পুনর্বানের জন্য ইতোমধ্যে সমস্ত টাকা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে গেছে। এখন চাহিদা অনুযায়ী শুধু বন্টনের পালা। আগামীতে প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলে আরো নতুন ভাবে পরিকল্পনা করে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে ভলান্টিারগণ বলেন, বস্তিবাসীর উন্নয়নের তারা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছেন। এর ফলশ্রুতিতে অনেক নারী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তারা সেলাই মেশিন নিয়ে কাজ শুরু করেছেন । আগামীতে আরো কাজ করা হবে বলে উল্লেখ করেন তারা।