নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ২৯অক্টোবর তারিখ আরএমপি চন্দ্রিমা থানাধীন বাইপাস মোড়ে ওষুধের দোকানে ব্যবসারত অবস্থায় গ্রাম্য ডাক্তার এরশাদ আলী দুলালকে দুস্কৃতিকারীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গিয়ে সিটি হাট সংলগ্ন স্থানে হত্যা করে ফেলে রেখে চলে যায়। দুলাল অত্র থানাধীন কেচুয়াতৈল গ্রামের আলহাজ¦ সামির উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পরের দিন চন্দ্রিমা থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়। সেই মামলায় ভূলক্রমে কিছু আসামীর নাম বাদ পরে যায়।
কোর্ট এর মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার স্বাক্ষীদের সাথে কথা বলে পরে নতুন করে আসামীদের নাম দিতে গেলে চন্দ্রিমা থানা আসামীদের নাম অন্তর্ভূক্ত করতে অস্বীকৃতি জানালে একই দিনে নিহত দুলালের পিতা বাদী হয়ে ছয়জনসহ আরো অজ্ঞাতনাম ৫-৬জনকে আসামী করে জেলা রাজশাহীর এম.এম চন্দ্রিমা থানা আমলা আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আসামীরা হলেন, কেচুয়াতৈল গ্রামের মৃত ছলিমুদ্দীন এর ছেলে রেজাউল করিম রেন্টু(৪০), মুশরইল বাচ্চুর মোড় এলাকার নকির এর ছেলে সোহেল রানা, রেজাউল করিম রেন্টুর ছেলে রাবিক(২২) ও আতিকুর রহমান(২০), কেচুয়াতৈল গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দীন এর নাজিমুদ্দীন(বাগুন) ও তামেজ উদ্দীন এর স্ত্রী জানেহার বেগম। আর এই মামলা আইনজীবী হচ্ছেন আব্দুল হামিদ।