নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ২০১৬ সালে রাজশাহী মহানগরীর উপশহরে অবস্থিত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ছয়তলা ভিত বিশিষ্ট দ্বিতল অফিস ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রস্তরটি অফিসের প্রধান ফটকের নিকটবর্তী রাস্তার পাশে ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সামনের গেট নির্মাণ কাজ করার সময় ওই ভিত্তি প্রস্তরটি তুলে ফেলে সেখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাছিম রেজার নাম ফলক বসানো হয়েছে।
শেখ নাছিম রেজা অত্র অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীন রাস্তা, সীমারা প্রাচীর ও মেইন গেট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এই নাম ফলকে আরো কয়েক জনের উল্লেখ করা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে এমনটাই দেখা যায়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি মাহফুজুল আলম লোটন বলেন, এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন শুধু রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য। তিনি ২০১৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর ছয়তলা ভিত বিশিষ্ট দ্বিতল অফিস ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।
তিনি বলেন, এখন যেখানে নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাছিম রেজার নাম ফলক বসানো হয়েছে, সেখানে মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামানের ভিত্তি প্রস্তর ছিলো। এই ভিত্তি প্রস্তর তুলে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ কিছুদিন সিড়ির নিচে এবং পরে গোডাউনে ফেলে রাখে। এ নিয়ে তিনি সহ আরো অন্যান্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ প্রতিবাদ করলে গত কয়েকদিন পূর্বে অত্র অফিসের সিড়ির পশ্চিম পার্শে পুরাতন একটি নাম ফলক দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, কার ইঙ্গিতে এবং কোন সাহসে মেয়রের নামক ফলক তুলে সেখানে অন্য আরেকজনের নাম ফলক স্থাপন করেছে। এ নিয়ে তিনিসহ আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের এই ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেইসাথে যথাস্থানে মেয়রের ভিত্তি প্রস্তরটি স্থাপনের দাবীসহ যারা এই কর্মকাণ্ডের জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তারা।
এ বিষয়ে জানতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ এর সাথে দেখা করতে চাইলে অত্র অফিসের কর্মচারীরা বলেন তিনি বর্তমানে অফিসে নেই। তিনি রাজশাহীর বাহিরে আছেন। যোগাযোগ করার জন্য তাঁর মোবাইল নম্বর চাইলে তারা বলেন, তিনি একেবারেই নতুন। বিধায় তাঁর মোবাইল নম্বর তাদের নিকট নাই বলে জানান তারা।