বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চট্টগ্রামে নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফায়াতের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে শোকের মাতম পদ্মার পানিতে ডুবেছে ঘর, পানিবন্দী মানুষের পাশে জেলা প্রশাসক শিশুর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারের আহ্বান বিএমডিএ’র মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষিত খাতা পুনরায় দেখার অভিযোগ পবা মোহনপুরের প্রতিটা কমিউনিটি ক্লিনিকের আধুনিকায়ন করা হবে পবার চর মাঝার দিয়ারে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনীতে : এমপি মিলন রাজশাহীর বারাহী, নবগঙ্গা ও বারনই নদীর দূষণ বন্ধের দাবীতে নওহাটায় মানববন্ধন অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জয়নাল এর পাশে বিএনপি নেতা সুলতান আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই: বিভাগীয় কমিশনার

তানোরে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লোবান উৎসব পালন

  • প্রকাশ সময় শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪১১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা আয়োজনে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার ময়েনপুর কোনাপুর গ্রামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাঁওতাল সম্প্রদায়ের কৃষি ভিত্তিক লোবান (নবান্ন) উৎসব পালিত হয়। শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির আয়োজনে এ লক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডুর সভাপতিত্বে সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সুসেন কুমার শ্যামদুয়ার ও শেলি প্রিসিল্লা বিশ^াস, ললিতনগর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আগোষ্টিনা মুরমু, চব্বিশনগর স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বিপ্লব মার্ডি, মুন্ডুমালা থানার ডিএসবি এ.এস.আই আব্দুল আজিজ, পারগানা জেঠা চঁড়ে ও গোদাগাড়ী উপজেলা পারগানা বাবুলাল মুর্মু।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বলেন, নবান্ন হচ্ছে বাঙালীর প্রানের উৎসব। সেই প্রাচীনকাল থেকে গ্রামগঞ্জে ঘরে ঘরে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। তবে ক্ষুদ্র নৃতাত্তিক জাতিগোষ্ঠির সাঁওতাল সম্প্রদায়সহ অন্যান্য সম্প্রদায় নবান্ন উৎসব পালন না করলে কেউ নতুন ধানের ভাতসহ অন্যান্য খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকে। এজন্য ঐ সকল সম্প্রদায়ের জন্য এই উৎসবটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এই উৎসব ক্রমন্বয়ে হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন আর ঘটা করে আত্মীয়স্বজন নিয়ে একসাথে পিঠা-পায়েস খাওয়া দাওয়া তেমন আর হয়না। তবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির লোকজন যেন এই উৎসব ধরে রাখতে পারে তার জন্যই এই আয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বক্তব্য শেষে তিনি অতিথিদের নিয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

আরো নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2021 dailysuprovatrajshahi.com
Developed by: MUN IT-01737779710
Tuhin